March 20, 2026
8d7ab3de4f8ec972a5fc6731b36a319c17740108056921387_original.jpg
Spread the love


স্বাস্থ্য সম্পর্কে আমরা অনেকেই সচেতন। কিন্তু তারপরও মাঝে মাঝে এমন কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা দেখা দেয়, যা ঠিক করতে দীর্ঘ লড়াই চালিয়ে যেতে হয়। ঠিক তেমনই এক ভয়ঙ্কর রোগ বা অসুখের কথা প্রকাশ্যে এনেছেন গবেষকরা। যার নাম ‘হেমাটুরিয়া’ (Hematuria)। 

চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাম্প্রতিক একটি গবেষণায় জানা গেছে যে, প্রস্রাবের সঙ্গে যদি রক্ত যায়, তবে এটি কিন্তু ভয়ঙ্কর একটি রোগের সঙ্কেত বহন করে। গবেষণায় দাবি করা হয়েছে, হঠাৎ করে যদি প্রস্রাবে রক্ত দেখতে পান এবং দেখার পরও যদি দ্রুত রোগ নির্ণয় এবং চিকিৎসা শুরু না করেন তবে বিপদ আসন্ন। রোগ থেকে মুক্তি পেতে ও নিজেকে বাঁচানো কঠিন হয়ে দাঁড়াবে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এই সমস্যা অবহেলা করলেই প্রতি ১০ জন রোগীর মধ্যে একজনের মৃত্যু হওয়ার ঝুঁকি থেকে থাকে। আর এই মৃত্যুটা মাত্র তিন মাসের মধ্যে হয়। তাই, এমন কিছু দেখলেই আগে থেকে সাবধান হন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।  

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন, এটি মূলত মূত্রথলি বা কিডনির কোনও গুরুতর রোগের লক্ষণ হতে পারে। প্রস্রাবের সঙ্গে রক্তপাত বা হেমাটুরিয়াকে অবহেলা করা মানেই নিজের বিপদ নিজে ডেকে আনা। তাই অকারণে অবহেলা করলে প্রাণঘাতীর আশঙ্কা বেড়ে যায়।

গবেষকরা হাজার হাজার রোগীরকে নিয়ে একটি পরীক্ষা করেন। সেখানে তাঁরা দেখেছেন, প্রস্রাবে রক্ত আসার সময় সবদিন ব্যথা অনুভব হয়না। আর ঠিক এখানেই লুকিয়ে থাকে আসল বিপদ। কারণ, ব্যথা ছাড়া শরীরের কোনও অংশের রক্তপাতকে অনেকেই খুব সাধারণ কোনও সংক্রমণ ভেবে এড়িয়ে যান। কিন্তু এখানেই দেখা দিয়েছে সমস্যা। যাদের মধ্যে এমন ব্যেথাহীন রক্তক্ষরণ হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশের শরীরে পরবর্তীকালে ক্যান্সার বা কিডনি বিকল হওয়ার মত সমস্যা ধরা পড়েছে। 

প্রস্রাবে রক্তক্ষরণ বা হেমাটুরিয়া হওয়ার কারণ কী কী ?

১. মূত্রথলি বা প্রোস্টেট ক্যান্সার
২. UTI বা মূত্রনালীর সংক্রমণ 
৩. কিডনির গুরুতর প্রদাহ
৪. কিডনিতে পাথর হওয়া
৫. অত্যধিক ব্যায়াম করা থেকে শারীরিক কোনও সমস্যা দেখা দেওয়া 
৬. ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া

কেন প্রথম ৩ মাস গুরুত্বপূর্ণ ?

গবেষকরা জানিয়েছেন, প্রস্রাবে রক্ত আসা মানে এটি বড় কোনও রোগের লক্ষণ বা উপসর্গ। এক্ষেত্রে রক্তক্ষরণ শুরু হওয়ার পর প্রথম ৩ মাস গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এই সময়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়ে রোগ নির্ণয় করতে পারলে সঠিক চিকিৎসার মাধ্যমে সুস্থ হওয়া যায়। কিন্তু দেরি করলে বিপদ বাড়ে। বিশেষ করে যদি এটি ক্যান্সার বা ভয়ঙ্কর কোনও টিউমার হয়, তবে দেরি হলেই সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না। ৫০ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি থাকে। 

Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )

Calculate The Age Through Age Calculator



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks