March 29, 2026
d4d37c97e01223c4f4cf526cb08714971774773677779338_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ থামার নেই। সেই আবহে জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে ভারতেও। এমন পরিস্থিতিতে নতুন করে ইথানল মেশানো জ্বালানি ব্যবহারে জোর দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইথানল মেশানো জ্বালানির ব্যবহার বাড়লে, আমদানিকৃত তেলের উপর ভারতের নির্ভরশীলতা কমবে বলে জানিয়েছেন তিনি। ইথানল মিশ্রিত E20-র ব্যবহার বৃদ্ধিতে কেন্দ্রের ভূমিকারও প্রশংসা করেন তিনি। (Modi on Ethanol Blending)

শনিবার উত্তরপ্রদেশের জেবরে নয়ডা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্বোধন করেন মোদি। সেখান থেকেই ইথানল মিশ্রিত E20 ব্যবহারে জোর দেন তিনি। অশোধিত তেল কেনার খরচ বাঁচাতে আখচাষিদের ভূমিকারও প্রশংসা করেন। মোদি বলেন, “ইথানল মেশানো না হলে বিদেশ থেকে ৪.৫ কোটি ব্যারেল (তেল) আমদানি করতে হতো আমাদের।” সেই খরচ বাঁচানোয়, সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার ভাণ্ডার রক্ষা করতে আখচাষিদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাঁদের জন্যই ১.৫ লক্ষ কোটি টাকার বিদেশি মুদ্রা বেঁচে গিয়েছে বলে জানান তিনি। 

এই মুহূর্তে যুদ্ধের আঁচ তপ্ত পশ্চিম এশিয়া। সেই আবেহ জ্বালানি সঙ্কট দেখা দিয়েছে ভারতেও। কারণ সেখান থেকেই ৪০ শতাংশ জ্বালানি আমদানি করা হয়। এমন পরিস্থিতে ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহারে জোর দেওয়া গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তবে এই প্রথম নয়, ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহারে বেশ কয়েক বছর ধরেই জোর দিয়ে আসছে কেন্দ্র। এমনকি নির্ধারিত সময়সীমার ঢের আগেই ২০ শতাংশ ইথানল মিশ্রণের লক্ষ্যমাত্রা ছুঁয়ে ফেলেছে ভারত। তৈল সংস্থাগুলির কাছে নির্দেশ রয়েছে, ১ এপ্রিল থেকে সমস্ত রাজ্য এবং কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ওই E20 জ্বালানি সরবরাহ করতে হবে, যাতে ইথানলে থাকবে ২০ শতাংশ, পেট্রোল থাকবে ৮০ শতাংশ। ন্যূনতম রিসার্চ অকটেন নম্বর হতে হবে ৯৫। ২০৩০ সালের মধ্যে ইথানল মিশ্রণকে ৩০ শতাংশে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্য রয়েছে কেন্দ্রের। 

তবে এই ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহার নিয়ে বিতর্কও কম নেই। পেট্রোলের পরিবর্তে ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহারে গাডির ক্ষতি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ১ লিটার ইথানল তৈরি করতে ২৮৬০ লিটার জলের প্রয়োজন পড়ে। ফলে ইথানল তৈরির উদ্দেশ্য নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

ইথানল আসলে এক ধরনের জৈব-জ্বালানি। আখ পচিয়ে, ইথাইলিন হাইড্রেশন প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হয়। ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহার করলে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম যথাক্রমে ৫০ ও ৬০-এ নেমে আসবে বলে ২০১৪ সাল দাবি করেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রি নিতিন গড়কড়ী। আসলে তাঁর ইথানল ব্যবসায়ী ছেলেরা যাতে ফুলেফেঁপে ওঠেন, তার জন্যই নিতিন ইথানলে জোর দিচ্ছিলেন বলে অভিযোগ তোলে বিরোধীরা। সেই নিয়ে বিতর্কও হয়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks