Trump Slams NATO : ‘শত্রু’ ইরানের (US Iran War) বিরুদ্ধে বিষোদগার করেছেন আগেই। এবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) রোষের মুখে পড়ল ‘মিত্র’ দেশগুলি। ইরান প্রসঙ্গে এবার ন্যাটো (NATO) দেশগুলিকে একহাত নিলেন ট্রাম্প। ট্রুথ সোশ্যালে (Truth Social) ন্যাটো দেশগুলি নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন তিনি।
কী বলে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প
ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে ন্যাটোর মিত্র দেশগুলিকে পাশে না পেয়ে এবার সরাসরি ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। মার্কিন সামরিক অভিযানে সাহায্য করতে অস্বীকার করায় ইউরোপীয় দেশগুলোকে ‘কাগুজে বাঘ’ ও ‘কাপুরুষ’ বলে কটাক্ষ করেছেন তিনি। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-র পোস্টে ট্রাম্প লেখেন, ‘ন্যাটো দেশগুলির জন্য এই লড়াইয়ে যোগ দেওয়া খুবই সহজ ছিল, ঝুঁকি ছিল সামান্য। কিন্তু তারা পারমাণবিক শক্তিধর ইরানকে থামানোর লড়াইয়ে নামতে চায় না। আমরা এই বিশ্বাসঘাতকতা মনে রাখব।’
ন্যাটোর বিরুদ্ধে ট্রাম্পের কী অভিযোগ
সম্প্রতি ন্যাটো দেশগুলির বিরুদ্ধে বার-বার সরব হচ্ছিলেন ট্রাম্প। তিনি জানান, ওয়াশিংটনকে ন্যাটো দেশগুলির তরফে জানানো হয়েছে, ইরানের “সন্ত্রাসবাদী শাসনব্যবস্থার” বিরুদ্ধে মার্কিন সামরিক অভিযানে অংশ নিতে আগ্রহী নয় তারা। ট্রাম্পের মতে, আমেরিকা বছরের পর বছর শত শত কোটি ডলার খরচ করে এই দেশগুলিকে রক্ষা করে আসছে, কিন্তু প্রয়োজনের সময় তারা কিছুই করছে না। তিনি বিষয়টিকে একটি “ওয়ান ওয়ে স্ট্রিটের” মতো বিষয়।
ইরানে হামলার বিষয়ে ফরাসি প্রেসিডেন্ট ও জার্মান চ্যান্সেলর কী অবস্থান নিয়েছেন
এই বিষয়ে সরাসরি মুখ না খুললেও ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রঁ জানিয়ে দিয়েছেন, ইরানের পরিস্থিতি নিয়ে ব্যস্ত থাকলেও ইউক্রেনের প্রতি ফ্রান্সের সমর্থন থাকবে। সমুদ্রসীমা লঙ্ঘনকারী জাহাজগুলি রাশিয়ার যুদ্ধ তহবিলে সাহায্য করছে, ফ্রান্স তা মেনে নেবে না।
অন্যদিকে, জার্মানি, ব্রিটেন, ইতালি ও জাপানের মতো দেশগুলি হরমুজ প্রণালীতে নিরাপদ যাতায়াতের জন্য সহযোগিতার আশ্বাস দিলেও সরাসরি যুদ্ধে জড়ানোর বিষয়ে সতর্ক থাকছে। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মেজ এই বিষয়ে বলেছেন, এই অঞ্চলে সরাসরি যুদ্ধ বন্ধ না হওয়া পর্যন্ত কোনও বড় পদক্ষেপে যাওয়া সম্ভব নয়।
