মুম্বই: ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে প্রায় দুটো বছর কাটিয়ে ফেললেন গৌতম গম্ভীর। আর এই দুটো বছরে সাফল্য এসেছে। এসেছে ব্যর্থতাও। সাদা বলের ফর্ম্যাটে দেশের ক্রিকেটের ইতিহাসে একমাত্র কোচ হিসেবে দুটো আইসিসি ট্রফি জিতেছেন। ২০২৫ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির পর এই বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়। তবে লাল বলের ফর্ম্যাটে গম্ভীরের কোচিংয়ে ভারতীয় দলের রেকর্ড সবচেয়ে খারাপ। কিন্তু আপাতত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর গম্ভীর বন্দনা গোটা দেশজুড়ে। সমালোচকদের মুখে কুলুপ এঁটে দিয়েছেন বিশ্বকাপজয়ী প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার। কিন্তু ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে সফরটা কেমন ছিল?
সম্প্রতি সংবাদ সংস্থা ANI-কে দেওয়া এক পডকাস্টে অংশ নিয়েছিলেন গম্ভীর। সেখানেই উঠে এল নানা কথা। ২০২৪ সালে জুলাই মাসে আচমকাই গম্ভীরকে ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। তার আগে কোনও জাতীয় দলের কোচিংয়ের অভিজ্ঞতা ছিল না তাঁর। আইপিএলে কেকেআরের মেন্টর হিসেবে সেই মরশুমে দায়িত্ব সামলেছিলেন। শ্রেয়স আইয়ারের নেতৃত্বে সেবার কেকেআর চ্যাম্পিয়নও হয়। ফাইনালের দিনই মাঠে তৎকালীন বিসিসিআই সচিব ও বর্তমান আসিসি চেয়ারম্য়ান জয় শাহকে দেখা যায় গম্ভীরের সঙ্গে কথা বলতে দীর্ঘক্ষণ। দুজনকে বেশ হাসিখুশি লাগছিল। ভারতীয় দলের হেডকোচ বলছেন, ”আমার এখনও মনে আছে কেকেআর বনাম মুম্বই ম্য়াচের জন্য আমরা সেই সময় প্রস্তুতি সারছিলাম। জয় শাহ ভাই আমাকে ফোন করেছিলেন। তিনি আমাকে বলেছিলেন যে আমি তোমাকে এই কোচ হওয়ার প্রস্তাব দিচ্ছি, তুমি আমাকে না করতে পারবে না। আমি অবাক হয়ে গিয়েছিলাম। আর তাছাড়া নিজে প্রস্তুতও ছিলাম না এই দায়িত্ব নেওয়ার জন্য।”
প্রাক্তন বাঁহাতি বিশ্বজয়ী ওপেনার আরও বলেন, ”এটা আমার কাছে একটা বড় চমক ছিল। ভারতীয় ক্রিকেট দলের কোচ হওয়াটা সত্যিই বিরাট সম্মানের বিষয়। খুব বেশি মানুষের এই সৌভাগ্য হয় না যে ওই ড্রেসিংরুমে আবার ফিরে যাওয়া, আবার জাতীয় দলের জার্সি গায়ে চাপানো। এটা তাই আমার কাছে খুব বিশেষ মুহূর্ত ছিল। আমি এরপর আমার পরিবারের সঙ্গে বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছিলাম। স্ত্রী নাতাশার সঙ্গেও কথা বলেছিলাম। কিন্তু জয় ভাইকে আবারও ধন্যবাদ জানাতে চাই আজকের দিনটার জন্য।”
উল্লেখ্য, টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জেতার পর সাংবাদিক বৈঠকে এসে ভারতীয় ক্রিকেটের উন্নতিতে অবদান রাখার জন্য রাহুল দ্রাবিড় ও ভিভি এস লক্ষ্মণেরও প্রশংসা করেছিলেন গম্ভীর।
