নয়াদিল্লি: ভয়ঙ্কর আগুনের গ্রাসে কুয়েতের গগনচুম্বী টাওয়ার। একেবারে নীচ থেকে উপর পর্যন্ত দাউ দাউ করে জ্বলছে আগুন। পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধের আবহে এমনই ছবি সামনে এল এবার। ইরানের ছোড়া ড্রোন আছড়ে পড়াতেই ওই হাইরাইজে আগুন ধরে যায় বলে জানা যাচ্ছে। (Kuwait Tower Fire)
সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে, দাউ দাউ করে জ্বলছে হাইরাইজ বিল্ডিংটি। একেবারে নীচ থেকে উপর পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়েছে আগুন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে আকাশ। (Middle East War)
কুয়েতের ওই বিল্ডিংয়ে আমেরিকার সেনা আধিকারিকরা আস্তানা গেড়েছিলেন এবং তাঁদের লক্ষ্য করেই ইরান ড্রোন ছোড়া হয় বলে দাবি উঠছে। তবে হামলার সময় সেখানে কেউ ছিলেন কি না, এখনও পর্যন্ত স্পষ্ট নয়। হতাহতের কথা জানা যায়নি এখনও পর্যন্ত।
🔴 Close-up footage of the high-rise building in Kuwait on fire.. Kuwaiti air defenses are currently confronting hostile missile and drone attacks. pic.twitter.com/pnJFkXZMcL
— Faith Defender (@faithdefender) March 8, 2026
আমেরিকা, ইজ়রায়েল বনাম ইরানের যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে পদার্পণ করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত যুদ্ধ থামার কোনও ইঙ্গিত মিলছে না। তেহরানে লাগাতার হামলা চালিয়ে যাচ্ছে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। পাশাপাশি, প্রতিবেশী দেশে আমেরিকার ঘাঁটি লক্ষ্য় করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। কুয়েতের বিমানবন্দরে জ্বালানির ট্যাঙ্ক লক্ষ্য় করেও হামলা হয়। পাশাপাশি, সৌদি আরব ১৫টি ড্রোন ছোড়ে তারা, যেগুলি আছড়ে পড়ার আগে ধ্বংস করে দেওয়া হয় আকাশেই।
Kuwait: A precise hit on a US forces bunker in a tower that is now on fire. pic.twitter.com/6IHQrJGBPj
— إيران الحدث (@iranin_arabic_) March 8, 2026
লাগাতার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার জন্য গতকাল ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান প্রতিবেশী দেশগুলির কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন। জানিয়েছিলেন, কাউকে আক্রমণ করা তাঁদের লক্ষ্য নয়। প্রতিবেশী দেশ থেকে তাঁদের উপর হামলা না হলে, তাঁরাও আর ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়বেন না। সেই নিয়ে তাঁকে বিদ্রুপ করেন আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানকে ‘হেরো’ ঘোষণা করেন তিনি। পাশাপাশি, আরও জোরাল হামলার হুমকি দেন।
তাই রবিবারও হামলা, পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। পর পর বিস্ফোরণ ঘটেছে তেহরানে। সেখানে সরকারি ভবনে হামলা চালিয়েছে ইজ়রায়েল। ইরানের তেলের ভাণ্ডারেও হামলা চালানো হয়েছে। ট্রাম্প জানিয়েছেন ইরানের নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ চান তিনি। অন্য দিকে পেজেশকিয়ান জানিয়েছেন, এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বেন না তাঁরা। হামলা হলে, পাল্টা আঘাত হানবেনই।
