
টেনশন বা উদ্বেগ : মস্তিষ্কে হওয়া পরিবর্তনগুলি সরাসরি ক্ষুধার উপর প্রভাব ফেলে। স্ট্রেস বাড়লে খিদে আপনাআপনি কমে যায়।

ঘুমের অভাব: কম ঘুমের কারণে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা দেখা দিতে পারে এবং ক্ষুধা কমে যেতে পারে।

পাচনতন্ত্রের সমস্যা: গ্যাস্ট্রিক, অ্যাসিডিটি বা পেটে অস্বস্তি হলে খাবার খাওয়ার ইচ্ছা কমে যায়।

ভাইরাল ইনফেকশন : সাধারণ সর্দি-জ্বর হলেও শরীরে খিদে না লাগাটা স্বাভাবিক।

ওষুধের প্রভাব কিছু ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে ক্ষুধা কমতে পারে।

জলের অভাব : ডিহাইড্রেশন এর কারণে ক্লান্তি আসে এবং খিদে কমে যায়।

কখন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত? : খিদে ৭–১০ দিনের বেশি কম হলে, ওজন দ্রুত কমতে থাকলে, সবসময় ক্লান্ত লাগলে ডাক্তারের কাছে যাওয়া উচিত।
Published at : 19 Nov 2025 03:12 PM (IST)
আরও জানুন স্বাস্থ্য
আরও দেখুন
