আমদাবাদ: শুরুটা করেছিলেন ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ইডেন গার্ডেন্সে। সেই ম্য়াচে ৫০ বলে অপরাজিত ৯৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। ইডেনে ১৯৬ রান তাড়া করতে নেমে ৫ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ভারত। যার নেপথ্য কারিগর ছিলেন স্যামসনই। ডানহাতি উইকেট কিপার ব্য়াটার ১২টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। এরপর চেন্নাইয়ে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালেও ৮৯ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। আর আজ ফাইনালে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধেও ফাইনালে ৮৯ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেন কেরলের তারকা ক্রিকেটার।
ফাইনালে অভিষেকের সঙ্গে এদিনও ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন। শুরু থেকে এদিন কিছুটা ধীর গতিতে খেলছিলেন। তবে ক্রিজে সেট হওয়ার পরেই হাত খোলেন। আর তার সঙ্গে সঙ্গেই চার-ছক্কার বন্য দেখা যায় স্যামসনের ব্যাটেও। শেষ পর্যন্ত ৪৬ বলে ৮৯ রানের ইনিংস খেলেন স্যামসন। জিমি নিশামের বলে বাউন্ডারি লাইনে ধরা পড়ে যান স্যামসন। নিশ্চিত শতরান মিস করেন এই ডানহাতি ব্যাটার। নিজের ইনিংসে আটটি বাউন্ডারি ও পাঁচটি ছক্কা হাঁকান স্যামসন।
স্যামসন ও অভিষেক ক্রিজে থেকেই রেকর্ড গড়ে ফেললেন ওপেনার জুটি হিসেবে। পাওয়ার প্লে-র প্রথম ২ ওভারে ভারতের স্কোর ছিল ১২/০। পরের চার ওভারে উঠল ৮০! টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে পাওয়ার প্লে-তে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ স্কোর। ২০২৪ সালের বিশ্বকাপে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ওয়েস্ট ইন্ডিজ় তুলেছিল ৯২/১। ভারত তুলল ৯২/০।
এরপর আবার ৭.২ ওভারে একশো পূর্ণ করল ভারত। টি-২০ বিশ্বকাপের ইতিহাসে নক আউটে দ্রুততম একশো। ৩৩ বলে হাফসেঞ্চুরি করলেন অপর ওপেনার সঞ্জু স্যামসন। টানা তিন ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি। স্পর্শ করলেন শাহিদ আফ্রিদি ও বিরাট কোহলির কীর্তি। আফ্রিদি ও কোহলি টি-২০ বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল ও ফাইনালে হাফসেঞ্চুরি করেছিলেন। সঞ্জুও সেই কীর্তিতে ভাগ বসালেন। টি-২০ বিশ্বকাপে টানা সবচেয়ে বেশি হাফসেঞ্চুরি করার নিরিখে মাহেলা জয়বর্ধনে, কোহলি, বাবর আজম, কে এল রাহুল, কুশল মেন্ডিস ও শাহিরজাদা ফারহানের সঙ্গে একই তালিকায় বসলেন সঞ্জু।
নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ভারত ২৫৫ রান বোর্ডে তুলল। শেষ ওভারে দুবে ২৪ রান বোর্ডে তুলে দলের স্কোর আড়াইশোর বেশি বোর্ডে তুলে নেয় ভারত।
