March 15, 2026
b6bc3703b53caee7f1ea6bc09bb7ede31773503461326338_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির কথা উঠে এসেছে বার বার। তীব্র অবসন্নতা, শ্বাসকষ্ট, মস্তিষ্কের ধোঁয়াশা, হৃদরোগ-সহ একাধিক ঝুঁকির কথা শোনা গিয়েছে। এবার জানা গেল, কোভিড-১৯ এবং ইনফ্লুয়েঞ্জা যদি গুরুতর হয়ে থাকে, তাতে ফুসফুসের উপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে। ভবিষ্যতে ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বেড়ে যায়।  (Lung Cancer Risks)

ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া হেলথ সিস্টেমের গবেষণায় এমনই তথ্য উঠে এসেছে। Cell জার্নালে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, কোভিড-১৯ বা ইনফ্লুয়েঞ্জা গুরুতর হলে, সেই সংক্রমণ রোগ প্রতিরোধকারী কোষের বিন্যাসই বদলে দেয়। কার্যক্রমই বদলে যায় কোষগুলির। এর ফলে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত সমস্যা দেখা দেয়। এর ফলে এমন পরিবেশ তৈরি হয়, যা টিউমারকে বৃদ্ধি পেতে সাহায্য় করে। (Health News)

UVA School of Medicine-এর বিজ্ঞানী জি সান জানিয়েছেন, গুরুতর কোভিড-১৯, ফ্লু, ইনফ্লুয়েঞ্জা বা নিউমোনিয়া থেকে সেরে ওঠা রোগীকে ভাল ভাবে নিরীক্ষণ করা উচিত চিকিৎসকদের। এতে ফুসফুসের ক্যান্সার দ্রুত শনাক্ত করা সম্ভব। দ্রুত রোগ ধরা পড়লে চিকিৎসাও কার্যকর হবে। 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে, পৃথিবীতে ক্যান্সারে যত মানুষ মারা যান, তার মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বেশি। পুরুষ হোন বা মহিলা, রোগ কাবু করে ফেলে শরীরকে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেরিতে ধরা পড়ে রোগ। ফলে চিকিৎসার তেমন বিকল্প উপায় থাকে না। নিয়মিত স্ক্রিনিং হলে সময় থাকতে সমস্যা বোঝা যাবে এবং বেঁচে যাওয়ার সম্ভাবনাও বাড়বে। 

বিজ্ঞানী জি সান বলেন, “কোভিড বা ফ্লু গুরুতর হলে ফুসফুসের উপর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব থেকে যায়। প্রদাহজনিত অবস্থা স্থায়ী হলে, বেড়ে যায় ক্যান্সারের ঝুঁকিও। আশার কথা বল, টিকা ওই ক্ষতিকর পরিবর্তন অনেকটাই রুখে দেয়, যাতে ফুসফুসে ক্যান্সার বাড়তে পারে না।”

গবেষণা চলাকালীন ফুসফুস সংক্রমণ থেকে সেরে ওঠা ইঁদুরদের মধ্যে ফুসফুসের ক্যান্সারে নাটকীয় বৃদ্ধি চোখে পড়ে। সেরে ওঠার হার কমে আসে অত্যধিক রকমের। মানুষের ক্ষেত্রেও পরিসংখ্য়ান সেদিকেই ইঙ্গিত করছে। কোভিড ১৯ যাঁদের গুরুতর ছিল, হাসপাতালে ভর্তি হতে হয়েছিল যাঁদের, তাঁদের ক্ষেত্রে ফুসফুসের ক্যান্সার বেড়ে গিয়েছে ১.২৪ গুণ, ধূমপান এবং কোমর্বিডিটিস ছাড়াই। তবে সংক্রমণ মাঝারি ছিল যাঁদের, তাঁদের ক্ষেত্রে ঝুঁকি তেমন বেশি নয়। 

বিজ্ঞানী জেফ্রি স্তারেক জানিয়েছে, শ্বাসকষ্ট এবং ভাইরাল সংক্রমণের ক্ষেত্রে রোগীকে পর্যবেক্ষণের ভঙ্গিই বদলে গেল। ধূমপান ফুসফুসের ক্যান্সারের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে বলে জানি আমরা। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভাইরাল সংক্রমণেও বাড়ে ঝুঁকি। যদি ধূমপানের অভ্যাস থাকে কারও, তাঁর ক্ষেত্রে ফুসফুস ক্যান্সারের ঝুঁকি বেশি। তাঁর ক্ষেত্রে নিয়মিত স্ক্রিনিং, সিটি স্ক্যান জরুরি। ভাইরাল সংক্রমণের ক্ষেত্রেও হয়ত আগামী দিনে সেই ইঙ্গিত উঠে আসবে।

Check out below Health Tools-
Calculate Your Body Mass Index ( BMI )

Calculate The Age Through Age Calculator



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks