মুম্বই: বিশ্বচ্যাম্পিয়ন (T20 World Cup 2026) হওয়ার পরে আইসিসির তরফে তো পুরস্কারমূল্য পেয়েইছে, টিম ইন্ডিয়ার (Indian Cricket Team) সকলের জন্য় রেকর্ড আর্থিক পুরস্কারমূল্য ঘোষণা করেছে বিসিসিআইও (BCCI)।
মঙ্গলবার বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিশ্বজয়ী ভারতীয় দলকে ১৩১ কোটি টাকার নগদ আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হবে। বিসিসিআই এক বিবৃতিতে দলের ক্রিকেটার, সাপোর্ট স্টাফদের এই ঐতিহাসিক সাফল্যের জন্য অভিনন্দন জানিয়েছে। পাশাপাশি ভবিষ্যতেও তাঁদের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করেছে বোর্ড। ২০২৪ সালে রোহিত শর্মারা বার্বাডোজে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জয়ের পর বিসিসিআই ১২৫ কোটি টাকা রেকর্ড পুরস্কার ঘোষণা করেছিল। এবার নিজেদের রেকর্ডই ভেঙে দিল বোর্ড।
তবে এই অর্থ কীভাবে বন্টন হবে, সেই নিয়ে কিন্তু কোনওরকম তথ্য দেয়নি ভারতীয় ক্রিকেট দল। তবে The Hindu-র এক রিপোর্টে এই টাকা বন্টন কীভাবে হবে, সেই বিষয়ে জানানো হয়েছে। রিপোর্টে বলা হচ্ছে এই ১৩১ কোটি টাকার মধ্যে ৯০ কোটি টাকা হবে ভারতীয় বিশ্বজয়ী ক্রিকেটারদের। আর বাকি ৪১ কোটি টাকা কোচিং স্টাফ এবং বাকি সদস্যদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হবে।
এই ভাবেই যদি টাকা ভাগভাগি হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে বিশ্বজয়ের জন্য ভারতীয় দলের ১৫ জন সদস্যের প্রত্যেকে ছয় কোটি টাকার করে বিসিসিআইয়ের তরফে পুরস্কারমূল্য পাবেন। গত বার বিশ্বকাপ জয়ের পর ক্রিকেটাররা পাঁচ কোটি টাকা করে পেয়েছিলেন। বছর দু’য়েক পরে ঐতিহাসিক খেতাব জয়ের পরে সূর্যদের জন্য কোটি টাকা করে পুরস্কারমূল্য বাড়ল।
তবে এই বিশ্বজয়ের পরে বিতর্কও তৈরি হয়েছে। কী নিয়ে বিতর্ক? কপিল দেবের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্য। প্রাক্তন ক্রিকেটার এখন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদও। কীর্তি আজাদের একটি সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে। আজাদ আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ এবং টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদবকে তুলোধনা করেছেন। এমনকী, ভারতীয় ক্রিকেটের সাফল্য যখন গোটা দেশে অকাল দীপাবলি এনে দিয়েছে, কীর্তি আজাদ বলছেন, ‘ভারতীয় ক্রিকেটকে ধিক্কার!’
ঘটনা হচ্ছে, বিশ্বকাপ জেতার পর টিম ইন্ডিয়ার অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব, কোচ গৌতম গম্ভীর এবং আইসিসি চেয়ারম্যান জয় শাহ আমদাবাদের হনুমান মন্দিরে গিয়েছিলেন। যেখানে সূর্য আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে দর্শনের জন্য যান। যার ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। তাতেই ক্ষিপ্ত কীর্তি আজাদ। তাঁর যুক্তি এই ট্রফি সঞ্জুও কখনও চার্চে নিয়ে যাননি, সিরাজও মসজিদে নিয়ে যাননি। তাহলে কীভাবে সূর্য বিশ্বকাপ ট্রফি নিয়ে মন্দিরে যান, সেই নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন।
