কলকাতা: ইডেনে ঝড় অভিষেক শর্মা ও ট্রাভিস হেডের ব্যাটে। ঝোড়ো অর্ধশতরান হাঁকালেন হেনরিচ ক্লাসেন। আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্স তাদের ঘরের মাঠে এই মরশুমে প্রথম ম্য়াচ খেলতে নেমেছে। সেই ম্য়াচে প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে বোর্ডে রান তুলে নিল সানরাইজার্স। আরও একবার কেকেআরের বোলিংয়ের দৈন্যদশাটা পরিষ্কার হয়ে গেল ইডেনে। সানরাইজার্স প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে বোর্ডে ২২৬/৮ রান তুলে নিল। ২২৭ রানের লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নামতে হবে রাহানেদের।
এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। কেকেআর অধিনায়ক এদিনও গ্রিনকে বল দিলেন না। আসলে অজি অলরাউন্ডার আরও কয়েকটি ম্য়াচে বল করবেন না। এই পরিস্থিতিতে মুম্বই ম্যাচের একাদশই ধরে রেখেছিল নাইট রাইডার্স। বল হাতে সেই বৈভব, মুজারাবানি, নারাইন ও বরুণই ছিলেন ভরসা। কিন্তু চারজন এদিনও ছাপ ফেলতে পারলেন না খুব একটা। কার্তিক ত্যাগীও খুব একটা ভয়ঙ্কর হলেন না ইডেনে। ট্রাভিস হেড ও অভিষেক শর্মার মত আক্রমণাত্মক ২ ওপেনারকে প্রথমেই না ফেরালে যে সমস্যা হওয়ার কথা সেটিই হল। দুজনে মিলেই কেকেআর বোলারদের এতটাই গলি পর্যায়ে নামিয়ে আনলেন যে একটা সময়ে মাত্র ৫ ওভারের মধ্যে ৭৫ রান বোর্ডে তুলে নিয়েছিল সানরাইজার্স কোনও উইকেট না হারিয়ে। ট্রাভিস হেড প্রথমে আউট হলেন সানরাইজার্সের। তখন বোর্ডে দলের স্কোর ৮২। ২১ বলে ৪৬ রানের ইনিংস খেলে প্যাভিলিয়ন ফিরলেন অজি তারকা। নিজের ইনিংসে ৬টি বাউন্ডারি ও ৩টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন হেড। কার্তিক ত্যাগী ফেরান হেডকে। অভিষেকও চালিয়ে খেলছিলেন। তিনি ফেরেন ৪৮ রান।
অভিষেক ও ট্রাভিস হেড ফিরে যাওয়ার পর কিছুটা কমে গিয়েছিল সানরাইজার্সের রান তোলার গতি। ঈশান কিষাণ ১৪ রান করে প্যাভিলিয়ন ফিরে যান। অনিকেত বর্মাও রান পাননি। তবে ক্লাসেন ও নীতীশ কুমার রেড্ডি মিলে দলের স্কোরবোর্ডে এগিয়ে নিয়ে যেতে থাকেন। দুশোর গণ্ডি হায়দরাবাদের পেরিয়ে যাওয়ার পেছনে এই দুজনের ভূমিকা অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ। ক্লাসেন ৩৫ বলে ৫২ রানের ইনিংস খেলেন। নীতীশ রেড্ডি ২৪ বলে ৩৯ রান করেন।
কেকেআর বোলারদের মধ্যে কার্তিক ত্যাগী, মুজারাবানি, অনুকুল রায় ও বৈভব আরোরা প্রত্যেকেই দুটো করে উইকেট নেন। ওয়াংখেড়েতে প্রথমে ব্যাট করে ২২০ তুলেছিল কেকেআর। এবার রান তাড়া করতে হবে ২২৭ রান। পারবে কেকেআর?
