April 1, 2026
d0c985cb3cbcbcb06a130bb95176e1351774265028952628_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধসমাপ্তির ইঙ্গিত দিয়েছেন আগেই। এবার ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের প্রশংসা করলেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানালেন, ইরানের তরফে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইরানের প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ানকে ‘বুদ্ধিমান’ বলেও উল্লেখ করলেন। (Donald Trump on Ceasefire)

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বড় ঘোষণা করতে পারেন ট্রাম্প। তিনি জাতির উদ্দেশে ভাষণ দেবেন বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউস। তার আগে ট্রুথ সোশ্যালে একটি ট্রাম্প লেখেন, ‘ইরানের নয়া শাসক সরকারের প্রেসিডেন্ট, পূর্বসূরীদের মতো ততটাও চরমপন্থী নন।  উনি আমেরিকার কাছে যুদ্ধবিরতির আবেদন জানিয়েছেন। আমরা তখনই রাজি হব, যদি হরমুজ প্রণালী খুলে দেওয়া হয়, মুক্ত করে দেওয়া হয়। তা না হওয়া পর্যন্ত ইরানকে নিঃশেষ করে দিতে আঘাত চলবে‘। (US-Iran War)

মঙ্গলবারও হরমুজ নিয়ে মাথা ঘামাতে নারাজ ছিলেন ট্রাম্প। যারা হরমুজ দিয়ে তেল নিয়ে যায়, তারা বুঝে নেবে বলে জানান। আমেরিকা আর কোনও সাহায্য় করবে না বলেও জানিয়ে দেন তিনি। এখন হঠাৎ হরমুজ নিয়ে কেন চিন্তা তাঁর, প্রশ্ন তুলছেন অনেকেই। কূটনীতিকদের মতে, পশ্চিম এশিয়ায় ক্ষমতার পাল্লা অন্য দিকে ঝুঁকতে দেখেই এমন মন্তব্য করে থাকতে পারেন ট্রাম্প। কারণ ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টার্মার জানিয়েছেন, বিভিন্ন দেশকে নিয়ে হরমুজ সম্মেলন আয়োজন করতে চলেছেন তাঁরা। সেখানেই হরমুজ প্রণালী খোলার ব্যবস্থা করা হবে। ফ্রান্স, ইতালি, স্পেন-সহ ৩৫টি দেশ সেই সম্মেলনে অংশ নিতে পারে। আর তাতেই ট্রাম্পের সম্বিত ফিরেছে বলে মনে করছেন অনেকে। 

জানা গিয়েছে, চলতি সপ্তাহেই হরমুজ সম্মেলন শুরু হবে। জলপথে ব্যবসা-বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ যাতে অব্যাহত থাকে, তার জন্যই ওই সম্মেলন বলে জানা গিয়েছে। কী ভাবে হরমুজের নিরাপত্তা বৃদ্ধি করা যায়, তা নিয়েও আলোচনা হবে সেখানে। হরমুজ নিয়ে সম্প্রতি যৌথ বিবৃতিও জারি করে ব্রিটেন, ফ্রান্স, ইতালি, জাপান, নেদারল্যান্ডসের মতো দেশগুলি। 

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল একযোগে ইরানে হামলা চালায়। হত্যা করা হয় আয়াতোল্লা আলি খামেনেইকে। সেই থেকেই হরমুজে জাহাজ চলাচল  বিপর্যস্ত। ‘শত্রুদেশে’র জন্য হরমুজ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান, যার জরুণ জ্বালানি সঙ্কট নেমে এসেছে। এর আগে, ব্রিটেন, ফ্রান্সের মতো দেশগুলিকে হরমুজে সেনা পাঠাতে আবেদন জানিয়েছিলেন ট্রাম্প। কিন্তু কোনও দেশই সেই ডাকে সাড়া দেয়নি। সেই নিয়ে তাদের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন ট্রাম্প। NATO থেকে সরে আসার হুমকিও দেন। 

যদিও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী স্টার্মার পরিষ্কার জানিয়েছেন, যতই চাপ সৃষ্টি করা হোক না কেন, যতই চিৎকার-চেঁচামেচি করা হোক না কেন, নিজের দেশের নাগরিকদের স্বার্থ উপেক্ষা করে কোনও পদক্ষেপ করবেন না তিনি। তাঁর কথায়, “গোড়া থেকে বলে আসছি, এটা আমাদের যুদ্ধ নয়। কাউকে আমাদের যুদ্ধের দিকে টেনে নিয়ে যেতে দেব না। নিজেদের নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক ভবিষ্যতের কথা মাথায় রেখে ইউরোপের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠতা রাখতে হবে আমাদের।”

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks