March 22, 2026
b13671345a941149f1491867577d7782177236485650875_original.png
Spread the love


US Iran War : শান্তি দূর অস্ত ! উল্টে ট্রাম্পের হুমকি নতুন করে সংঘাতের আবহ তৈরি করছে পশ্চিম এশিয়ায়। হরমুজ প্রণালীতে পণ্যবাহী জাহাজ যাওয়ার ছাড়পত্র নিয়ে এবার মুখ খুলল ইরান। তেহরানের তরফে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ‘শত্রু জাহাজ’ ছাড়া সবার জন্য খোলা হরমুজ প্রণালী। স্বাভাবিকভাবে যা নতুন করে ইারানের সঙ্গে আমেরিকার তিক্ততা বাড়াবে।  

কী বলেছে ইরান
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত পরিস্থিতির মাঝে হরমুজ প্রণালী নিয়ে নিজেদের অবস্থান বদল করল ইরান। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের কড়া হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তেহরানের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “শত্রু জাহাজ” বাদে বাকি সব বাণিজ্যিক জাহাজ এই গুরুত্বপূর্ণ জলপথ দিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।

আগে কী কী ঘটনা ঘটেছে
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি : মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে স্পষ্ট হুমকি দিয়ে জানিয়েছিলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে হরমুজ প্রণালী “পুরোপুরি না খুললে” ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলোতে হামলা চালাবে যুক্তরাষ্ট্র।

ইরানের প্রতিক্রিয়া : এই হুমকির পরই আন্তর্জাতিক মেরিটাইম অর্গানাইজেশনে (IMO) নিযুক্ত ইরানের প্রতিনিধি আলি মুসাভি জানান, হরমুজ প্রণালী সবার জন্য বন্ধ নয়। তবে ইজরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো “শত্রু রাষ্ট্রগুলির” সঙ্গে যুক্ত জাহাজগুলি চলাচলের অনুমতি পাবে না। মুসাভি জানিয়েছেন, যেসব জাহাজ ইরানের শত্রু নয়, তারা তেহরানের সঙ্গে নিরাপত্তা ও সুরক্ষা ব্যবস্থা সমন্বয় করে চলে, তারা এই রুট ব্যবহার করতে পারবে।

কেন এই হরমুজ প্রণালী এত গুরুত্বপূর্ণ ?
বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহের প্রধান ধমনী বলা হয় এই প্রণালীকে।

বিশ্বের মোট উৎপাদিত তেলের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ (২০%) এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।

তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (LNG) সরবরাহের ক্ষেত্রেও এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান এই পথ বন্ধ করার হুমকি দেওয়ার পর থেকেই বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

কূটনীতি না সংঘাত ?
ইরানের তরফে আলি মুসাভি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ইরান এই বিষয়ে কূটনীতিকে অগ্রাধিকার দেবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতির মূলে রয়েছে ইরান বিরোধী আগ্রাসন।” অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র এই জলপথে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা দিতে একটি আন্তর্জাতিক নৌ-জোট গড়ার চেষ্টা করছে। তবে অধিকাংশ ন্যাটো (NATO) মিত্র দেশ ইরানের বিরুদ্ধে সরাসরি সামরিক অভিযানে জড়াতে অনীহা প্রকাশ করেছে।

আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, ট্রাম্পের সরাসরি হামলার হুমকির পর ইরানের এই বক্তব্যকে বিশেষজ্ঞরা পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত করার চেষ্টা হিসেবে দেখছেন। তবে “শত্রু জাহাজ” চিহ্নিত করার বিষয়টি নিয়ে সমুদ্রে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks