June 4, 2026
2b10638f419f0b572ed7d8f938af64761769677436481507_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: ভারতীয় ক্রিকেটের (Indian Cricket Team) সেরা ম্যাচ উইনারদের তালিকা তৈরি করা হলে তাঁর নাম একেবারে শীর্ষে থাকবে। ২০০৭ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ সালে ৫০ ওভারের বিশ্বকাপে ভারতের জয়ের জন্য তাঁর অবদান ছিল অনস্বীকার্য। তিনি যুবরাজ সিংহ (Yuvraj Singh)। ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার।

সমালোচনা থেকে ক্যানসার, নিজের বর্ণময় ক্রিকেট কেরিয়ারে যুবরাজ সবকিছুকে পরাজিত করে ক্রিকেটের আইকন হয়ে উঠেছিলেন। তবে ২০১৯ সালে বিশ্বকাপ দল থেকে বাদ পড়ার পরেই তিনি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর ঘোষণা করেন। সেই অবসর প্রসঙ্গে এক আবেগঘন কথোপকথনে যুবরাজ দাবি করেন সেই সময় তিনি নিজের খেলা উপভোগ করছিলেন না এবং সেটা তাঁর কাছে বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। উপরন্তু, তিনি যথাযোগ্য সম্মানও পাচ্ছিলেন না বলে জানান যুবি।

সানিয়া মির্জার সঙ্গে এক পডকাস্টে যুবরাজ জানান, ‘আমি নিজের খেলাটা উপভোগ করছিলাম না। আমার মনে হচ্ছিল যখন খেলাটা উপভোগই করছি না, তখন ক্রিকেটটা খেলছিই কেন? আমায় অসম্মান করা হচ্ছিল। আমার মনে হচ্ছিল কেন আমি যে বিষয়টা উপভোগ করছি না সেটাকে জোর করে আঁকড়ে ধরে থাকব? আমার খেলার প্রয়োজনটা কী? আর কী প্রমাণ করতে হবে আমায়? মানসিক বা শারীরিকভাবে তার থেকে বেশি দেওয়া আমার পক্ষে সম্ভব ছিল না এবং গোটা বিষয়টা আমায় আঘাত করছিল। যেদিন আমি থামলাম, সেদিনই আবার নিজেকে ফিরে পেয়েছিলাম।’

অতীতে কিন্তু যুবরাজের অবসরের প্রসঙ্গ নিয়ে না না ক্রিকেটার না না কথা বলেছিলেন। কেউ কেউ তো তৎকালীন অধিনায়ক বিরাট কোহলির দিকেও আঙুল তোলেন। রবিন উথাপ্পাই যেমন জানিয়েছিলেন, ‘যুবি পা ক্যান্সারকে হারিয়ে দলে ফেরার চেষ্টা করছিলেন। ও আমাদের এক নয়, দুইটি বিশ্বকাপ জিতিয়েছে। দলের অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ ছিল। ফুসফুসটা ওর কমজোর হয়ে গিয়েছিল। ওর লড়াইটা দেখছ। আমি বুঝতে পারছি যে একটা নির্দিষ্ট মান বজায় রাখতে হয়, তবে কারুর কারুর জন্য নিয়মটা বদলানোই যায়। এই মানুষটা শুধু টুর্নামেন্ট জেতানো নয়, ক্যান্সারকে হারিয়ে এসেছেন। জীবনের কঠিনতম চ্যালেঞ্জ তো জিতেছে ওঁ। ওঁর জন্যও নিয়ম থাকবে!’

তিনি আরও যোগ করেন, ‘যুবরাজ যখন (ফিটনেস টেস্টে) দুই পয়েন্ট কমানোর জন্য অনুরোধ করেন, তখন তা মানা হয়নি। তবে ওঁ দলের বাইরে ছিল, তাই দলে ঢুকতে বাধ্য হয়েই ওঁ টেস্ট দেন। পাস করে দলে সুযোগও পায়। তবে পারফর্ম করতে না পারায় বাদ পড়ে। তারপর থেকে ওঁর দিকে আর ঘুরেই তাকানো হয়নি। ওই সময় নেতা ছিল বিরাট কোহলি। শীর্ষ নেতৃত্ব আর যুবরাজকে দলেই চায়নি। আমি অধিনায়ক বিরাটের অধীনে তেমন খেলিনি। তবে ওর ক্ষেত্রে ওর নিয়ম অনুযায়ী চলাটা বাধ্যতামূলক। শুধু হার, জিতের ব্যাপার তো না, মানুষের সঙ্গে কী ব্যবহার করা হচ্ছে, সেটাও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks