July 3, 2026
73b382db963e06a73812b6ebd83ac2ef1783084489754170_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি : পাকিস্তান যতই তর্জন গর্জন করুক না কেন, তাদের নিয়ে ভারতের অবস্থান একই। তেমনই জানিয়ে দিল কেন্দ্র। প্রসঙ্গ, সিন্ধু জলচুক্তি সাসপেনশন। ভারত একই অবস্থানে অবিচল বলে জানিয়ে দিল কেন্দ্রীয় বিদেশ-মন্ত্রক। সীমান্তে সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তানের মদত দেওয়া অব্যাহত রাখার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন যে, সিন্ধু জলচুক্তির বিষয়ে ভারতের অবস্থান সুসংগত। আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে পাকিস্তান ক্রমাগত মদত দিতে থাকায় এই চুক্তিটি বর্তমানে স্থগিত অবস্থায় রয়েছে। পাকিস্তানকে অবশ্যই বিশ্বাসযোগ্য ও অপরিবর্তনীয়ভাবে আন্তঃসীমান্ত সন্ত্রাসবাদে তাদের সমর্থন পরিত্যাগ করতে হবে। 

পাকিস্তানের মন্ত্রীর হুমকি…

চলতি সপ্তাহেই পাকিস্তানের এক মন্ত্রী ভারতের উদ্দেশে হুমকি দেন। তার ভিত্তিতেই বিদেশ-মন্ত্রকের তরফে এই অবস্থানের কথা জানিয়ে দেওয়া হল। সিন্ধু জলচুক্তির প্রসঙ্গ টেনে ওই মন্ত্রী হুমকি দিয়েছিলেন, ইসলামাবাদ সেই হাতগুলো ‘কেটে ফেলবে’—যা সিন্ধু নদের জলের ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করছিল।

পাকিস্তানের সংবাদ মাধ্যম ‘ডন’-এর খবর অনুযায়ী, পাকিস্তানের জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী মুসাদিক মালিক বলেছেন, “একটি কল রয়েছে যা প্রতিবেশী দেশের প্রধানমন্ত্রী নিয়ন্ত্রণ করছেন। তিনি বলেন, পাকিস্তানে এক ফোঁটা জলও যেতে দেবেন না।” মালিকের এই মন্তব্য অনলাইনে ছড়িয়ে পড়ে।

পাক মন্ত্রী মালিকের এই কঠোর বক্তব্যের আগে, পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রী ইশাক দার সংশ্লিষ্ট চুক্তি নিয়ে যুদ্ধের সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন। এই চুক্তি ২০২৫ সালের এপ্রিলে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার পর থেকে স্থগিত রয়েছে। এপি (AP)-র রিপোর্ট অনুযায়ী, দার বলেছেন যে, সিন্ধু জল চুক্তির আওতায় পাকিস্তানের প্রাপ্য জলের ভাগ থেকে তাঁদের বঞ্চিত করার ভারতের যে কোনও প্রচেষ্টা ‘জলকে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহারের’ শামিল হবে এবং তা আঞ্চলিক শান্তি ও নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক পরিণতি ডেকে আনতে পারে। 

“শেয়ারে থাকা জলাধারকে কখনোই কোনও মারণাস্ত্র বা হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা উচিত নয়। বরং বর্তমান ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণে সহযোগিতা, আলোচনা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল থেকে এগুলোকে বিভিন্ন দেশের মধ্যে সেতুবন্ধন হিসেবে বজায় রাখা প্রয়োজন”, এমনই বলেছেন দার। তিনি মানুষের মর্যাদা, খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং পরিবেশগত স্থায়ীত্বের জন্য জলকে অপরিহার্য হিসেবে উল্লেখ করেছেন। তাঁর সংযোজন, “চুক্তিটি স্থগিত করার বিষয়টি ছিল ‘বেআইনি’ এবং পাকিস্তান মনে করে যে চুক্তিটি এখনও কার্যকর ও আইনত বাধ্যতামূলক।”



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks