June 4, 2026
dab16653e0f0f26cd1de41d538a82a2e1765709266578338_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: উৎসবের মরশুমে রক্তাক্ত হল অস্ট্রেলিয়া। জনপ্রিয় বন্ডাই বিচে হামলা চালাল দুই বন্দুকবাজ। ইহুদিদের ‘হনাকা’ (Hanukkah) চলাকালীন ৫০ রাউন্ড গুলি চালায় তারা। হামলায় এখনও পর্যন্ত ১১ জনের মৃত্য়ুর খবর মিলছে। সৈকতের ইতিউতি নিথর দেহও পড়ে থাকতে দেখা যায়। কিন্তু তার মধ্যেই একটি ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়, যাতে এক প্রৌঢ়কে হামলাকারীর হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্র কেড়ে নিতে দেখা গিয়েছে। (Australia Mass Shooting)

রবিবার স্থানীয় সময় সন্ধে ৬টা বেজে ৩০ মিনিট নাগাদ সিডনির বন্ডাই সমুদ্রসৈকতে চড়াও হয় দুই হামলাকারী। সবমিলিয়ে প্রায় ৫০ রাউন্ড গুলি চালায় তারা। প্রাণ বাঁচিয়ে পালিয়ে যেতে সফল হন কেউ কেউ, অনেকে আবার রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন মাটিতে। সেই পরিস্থিতিতে কী করণীয় বুঝে উঠতে পারছিলেন না কেউই। কিন্তু এক প্রৌঢ় অসীম সাহসের পরিচয় দেন। (Bondi Beach Mass Shooting)

সোশ্য়াল মিডিয়ায় যে ভিডিও সামনে এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে, সৈকতের উপরের অংশে পর পর গাড়ি দাঁড় করানো রয়েছে। কিছুটা এগিয়ে একটি গাছের আড়ালে আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে দাঁড়িয়ে এক হামলাকারী। কিছুটা তফাতে একটি গাড়ির পিছনে লুকিয়ে ছিলেন ওই প্রৌঢ়। প্রথমে হামলাকারীর উপর নজর রাখছিলেন তিনি। একটা সময় পর দ্রুত ছুটে গিয়ে হামলাকারীর ঘাড় চেপে ধরেন। কিছুক্ষণ ধস্তাধস্তির পর হামলাকারীর হাত থেকে আগ্নেয়াস্ত্রটি কেড়ে নিতে সফল হন ওই প্রৌঢ়। মাটিতে মুখ থুবড়ে পড়ে হামলাকারী। সেই অবস্থায় তার দিকে বন্দুক তাক করে দাঁড়িয়ে থাকেন ওই প্রৌঢ়।

দুই বন্দুকবাজ মিলে এদিন হামলা চালায় বন্ডাই সৈকতে। তাদের দু’জনেরই নাগাল পায় পুলিশ। এক হামলাকারীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর। উৎসবের আবহে এই ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। কারণ অস্ট্রেলিয়ায় সচরাচর এমন ঘটনা ঘটে না। সেখানে অস্ত্র আইনও বেশ কড়া। যে বন্ডাই সৈকতে হামলা হয়েছে, সেখানে বিপুল পুলিশ মোতায়েন থাকে সারাক্ষণ। তার পরও এই ঘটনা ঘটল কী করে উঠছে প্রশ্ন।

১৯৯৬ সালে অস্ট্রেলিয়ায় পোর্ট আর্থারে বন্দুকবাজ হামলায় ৩৫ জন মারা যান। সেই থেকেই অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে কড়া আইন দেশে। আগ্নেয়াস্ত্রের নাগাল পান না সাধারণ মানুষ। তাই হামলাকারীরা আগ্নেয়াস্ত্র কোথা থেকে পেল, প্রশ্ন উঠছে। ইহুদিদের নিশানা করেই হামলা চালানো হয়েছিল কি না, এখনও তা খোলসা করেনি অস্ট্রেলিয়ার পুলিশ। তবে এই ঘটনায় দেশের অন্দরে নতুন করে অভিবাসী নিয়ন্ত্রণের প্রশ্ন জোর পাবে বলে মনে করা হচ্ছে। কারণ অভিবাসী বিরোধী আন্দোলনে সম্প্রতিই উত্তাল হয়ে ওঠে গোটা দেশ। 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks