April 24, 2026
0bc48c663ad8777f55bae028d2ccdc301776968743796206_original.jpg
Spread the love


মুম্বই: নিজেদের ঘরের মাঠে জেতার সুবর্ণ সুযোগ ছিল। ২০৮ রানের লক্ষ্যমাত্রা সামনে ছিল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই রান তাড়া করে জেতা নতুন কিছু নয় এখনকার সময়ে। কিন্তু মুম্বইয়ের তারকাখচিত ব্যাটিং লাইন আপ তবুও ভেঙে পড়ল। শুধু ভেঙে পড়াই নয়। চেন্নাইয়ের বোলিংয়ের সামনে ১০৪ রানেই অল আউট হয়ে গেল হার্দিক পাণ্ড্যর দল। দু অঙ্কের ঘরে পৌঁছলেন মাত্র ২ জন। আর তিনজন তো খাতাই খুলতে পারলেন না।

দুশোর ওপর রান তাড়া করতে নামলে নিঃসন্দেহে ওপেনিং জুটিকে শুরুটা ভাল করতেই হয়। বড় একটা পার্টনারশিপ পাওয়ার প্লে-তে না হলে পরে মিডল ও লোয়ার অর্ডারে চাপ বেড়ে যায়। এদিন ডি কক ও দানিশ মালেশ্বর। প্রোটিয়া তারকা ৭ রান করলেও দ্বিতীয়জন খাতাই খুলতে পারেননি। রোহিত শর্মার না থাকাটা ভীষণভাবে সমস্যা বাড়িয়েছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের। রোহিত থাকলে ডি ককও ছন্দে থাকেন। দু’জনে মিলে শুরুতে একটা বড় পার্টনারশিপ গড়ে থাকেন। কিন্তু এখন তা হচ্ছে না। ফলে চাপও বাড়ছে। দানিশ খাতা খোলার আগেই ফিরলেন। নমন ধীর তিন নম্বরে নেমেছিলেন। তিনি খাতাই খুলতে পারেননি। সূর্যকুমার ও তিলক বর্মা ৩৬ ও ৩৭ রান করেন এদিন। ৩০ বলের ইনিংসে নিজে পাঁচটি বাউন্ডারি হাঁকান এদিন সূর্য। অন্য়দিকে, তিলকও তাঁর ২৯ বলের ইনিংসে পাঁচটি বাউন্ডারি হাঁকান। তবে দু’জনের কেউই ক্রিজে সেট হওয়ার পরও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। হার্দিক পাণ্ড্য তো চূড়ান্ত ব্যর্থ। মাত্র ১ রান করে ফেরেন তিনি। লোয়ার অর্ডার কোনও বড় ইনিংসই খেলতে পারেননি। ১৯ ওভারেই পুরো মুম্বই শিবির অল আউট হয়ে যায়। ১০৩ রানের বিশাল ব্যবধানে হেরে যায় মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। এই হারের ফলে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স আট নম্বরে রয়েছে ও চেন্নাই সুপার কিংস পাঁচ নম্বরে উঠে এসেছে জয়ের পর। 

এর আগে এদিন ব্যাট করতে নেমে চেন্নাইয়ের হয়ে ঝোড়ো শতরান হাঁকিয়েছিলেন সঞ্জু স্যামসন।  ৫৪ বলে নিজের ১০১ রানের অপরাজিত ইনিংসটি খেলেন স্যামসন। নিজের ইনিংসে ১০টি বাউন্ডারি ও ছয়টি ছক্কা হাঁকান ডানহাতি উইকেট কিপার ব্যাটার।

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks