লখনউ: একটা হারের পর এবার আইপিএলে কেকেআরের টানা দ্বিতীয় জয়। যদিও লখনউয়ের বিরুদ্ধে রবিবারের জয়টা কিন্তু একেবারে তীরে এসে তরী ডুবতে ডুবতে এল। চলতি আইপিএলে প্রথমবার সুপার ওভারে গড়াল ম্য়াচ। আর সেই সুপার ওভারেই নায়ক সুনীল নারাইন। এর আগেও এমন মিরাক্যাল তিনি করেছেন। অভ্যেসটা যে এখনও বদলায়নি, তা বুঝিয়ে দিলেন। লখনউয়ের বিরুদ্ধে কেকেআর ম্যাচ গড়াল সুপার ওভারে। আর সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করতে আসা লখনউ বোর্ডে তুলতে পারল মাত্র ১ রান। নারাইনের প্রথম বলেই বোল্ড আউট হলেন নিকোলাস ও তৃতীয় বলেই বাউন্ডারি লাইনে জুটি বেঁধে দুরন্ত ক্যাচ লুফে নিলেন পাওয়েল-রিঙ্কু।
রান তাড়া করতে নেমে সুপার ওভারে প্রিন্স যাদবের প্রথম বলেই বাউন্ডারি হাঁকিয়ে কেকেআরকে দ্বিতীয় জয় নিশ্চিত করে দেন রিঙ্কু সিংহ। এর আগে ৫১ বলে ৮৩ রানের অপরাজিত ইনিংস এসেছিল রিঙ্কুর ব্যাটেই। তাই ম্য়াচের সেরার পুরস্কার পেলেন কেকেআর সহ অধিনায়কই। কিন্তু ম্য়াজিশিয়ান নারাইন যে সুপার ওভারে টার্নিং পয়েন্ট ছিলেন, তা বলাই বাহুল্য। খেলার শেষে ক্যারিবিয়ান তারকা বলছেন, “ক্রিকেট বেশ কঠিন খেলা। কিন্তু সুপার ওভারে যদি প্রথমেই বোলিং করার সুযোগ আসে, তখন তা কিছুটা চাপমুক্ত রাখে বোলারকে। সেলিব্রেশন নিয়ে কখনও ভাবি না। ব্যাটারকে কোনও বল করব, ম্য়াচ নিয়েই মাথায় ঘুরপাক খায় সবসময়।”
এটাই কি সেরা ওভারগুলোর একটি? নারাইন বলছেন, ”হ্যাঁ, অবশ্যই আমার সেরা স্পেলগুলোর মধ্য়ে একটি। তবে আমি দলের জয়ে বেশি খুশি। আমরা যেখানে আছি পয়েন্ট টেবিলে, সেখান থেকে যদি ম্য়াচ প্রতি ভেবে আমরা এখন এগোই, তাহলে আশা করি ভাল হবে আমাদের জন্য়।” কার্তিক ত্যাগীর শেষ ওভার নিয়ে নারাইনের বক্তব্য, ”শেষ ওভার বল করা সবসময়ই কঠিন কাজ। নতুন কেউ হোক বা অভিজ্ঞ কেউ হোক, রান ডিফেন্ড করা শেষ ওভারে সবসময় কঠিন। একটা আলাদা চাপ মাথায় থাকে। গোটা মরশুম জুড়ে কার্তিক ভাল বোলিং করেছে। তাই একটা ম্য়াচের জন্য বা একটা ওভারের জন্য ওকে দোষারোপ করাও উচিৎ হবে না।”
সুপার ওভারে আপনাকে বল করতে হবে, এই সিদ্ধান্তটা কে নিয়েছিল? ক্যারিবিয়ান রহস্য স্পিনার বলছেন, ”আমার মনে হয় এটা প্রথম কোচিং স্টাফরাই আমাকে বলেছিল, আমি তাঁদের কথায় সম্মতি জানিয়ে বলেছিলাম যে ঠিক আছে আমি করে দেব।”
