মুল্লানপুর: ঘরোয়া ক্রিকেটে রাজস্থানের জার্সিতে ধারাবাহিক ভাল পারফরম্য়ান্সের পুরস্কার হিসেবে জাতীয় দলে ডাক পেয়েছিলেন। মুল্লানপুরে আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে টেস্টের একাদশেও তাঁকে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। টিম ম্য়ানেজমেন্ট ও অধিনায়ক ও কোচের আস্থার মর্যাদা রেখে প্রথম ম্য়াচে দুরন্ত পারফর্ম করলেন মানব সুথার। প্রথম ইনিংসেই তুলে নিলেন ৬ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে তুলে নিলেন আরও একটি উইকেট। মোট পুরো ম্য়াচে ৭ উইকেট ঝুলিতে। ম্য়াচে ভারতের ইনিংস ও ৩০০ রানে জয়ের নেপথ্যে রয়েছে মানবের দুরন্ত স্পেল।
টেস্টের অভিষেকে ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব গড়া ১০ নম্বর বোলার হয়ে গিয়েছেন মানব। ১৯৮৮ সালে নরেন্দ্র হিরওয়ানি ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অভিষেক টেস্টে ইনিংসে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন। তাঁর সেই স্পেলটি ছিল ৬১/৮। যা এখনও পর্যন্ত অভিষেক টেস্টে ভারতীয়দের মধ্য়ে সেরা স্পেল। এবার সেই তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে মানব সুথার। ৩৩ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট নিয়েছলেন তিনি। সৈয়দ আবেদ আলি ১৯৬৭ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে ৫৭ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন অভিষেক টেস্টে। ১৯৭৯ সালে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দিলীপ জোশী ১০৩ রানের বিনিময়ে ৬ উইকেট তুলে নিয়েছলেন। ১৯৬১ সালে ভমন কুমার ৬৪ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট তুলে নিয়েছিলেন অভিষেক টেস্টে।
২০২১-২২ মরশুমে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে রাজস্থানের জার্সিতে অভিষেকের পর থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি মানব সুথারকে। ২৯ ম্য়াচে ১২৯ উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন। এমনকী তিনবার ম্যাচে ১০ বা তার বেশি উইকেট নেওয়ার নজির গড়েছেন মানব। ৬ বার পাঁচ উইকেট এবং আটবার চার উইকেট নিয়েছেন এক ইনিংসে। একটি ইনিংসে ৮ উইকেট তাঁর সেরা বোলিং পারফরম্যান্স।
ম্যাচে প্রথমে ব্য়াটিং করতে নেমে ৫৬৪ রান বোর্ডে তোলার পর ইনিংস ডিক্লেয়ার করে দিয়েছিল ভারত। শুভমন গিল, কে এল রাহুল দু’জনে শতরান হাঁকিয়েছিলেন ম্য়াচে। জবাবে ব্য়াটিং করতে নেমে প্রথম ইনিংসে ১৫২ রানে অল আউট হয়ে যায় আফগানিস্তান। ফলো অন করায় ভারত। দ্বিতীয় ইনিংসে ফের ব্য়াট করতে নেমে ১১২ রানেই আউট হয়ে যায় আফগানরা।
