April 30, 2026
1e6fca6b798ccfd6a2758a88212cf8681777551047389338_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: হরমুজ প্রণালী নিয়ে আমেরিকাকে কড়া বার্তা ইরানের সর্বোচ্চ শাসক মোজতবা খামেনেইয়ের। জানালেন, হরমুজ নিয়ন্ত্রণে নয়া আইনি এবং প্রশাসনিক বিধি আনতে চলেছে তেহরান। হরমুজের উপর আমেরিকার খবরদারি কোনও ভাবেই বরদাস্ত করা হবে না বলেও জানিয়ে দিলেন। আমেরিকার সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে টানাপোড়েনের মধ্যেই মোজতফার তরফে এই কড়া বিবৃতি এল। (Mojtaba Khamenei)

যুদ্ধবিরতি চললেও, এখনও পর্যন্ত শান্তিচু্ক্তিতে সিলমোহর পড়েনি। সেই আবহেই কড়া বিবৃতি দিলেন মোজতবা। আমেরিকা পারস্য উপসাগর অঞ্চলে অস্থিরতা তৈরি করছে বলে অভিযোগ তুললেন তিনি। হুঁশিয়ারি দিয়ে জানালেন, যে বিদেশি শক্তি হাজার হাজার কিলোমিটার দূর থেকে এসে ষড়যন্ত্র করছে, নিজেদের স্বার্থ, লোভ চরিতার্থ করতে ক্ষতি করছে, ‘হরমুজের জলের গভীরে ছাড়া অন্য কোথাও ঠাঁই হবে না তাদের’।  (US-Iran War)

আরও পড়ুন: সাত-সাতবার IVF করেও ফেল, মুণ্ডহীন ভ্রূণ থেকে গর্ভপাতও, অবশেষে মা হচ্ছেন নায়িকা

হরমুজ নিয়ে ইরানের পরিকল্পনার কথা জানাতে গিয়ে মোজতবা বলেন, ‘হরমুজ প্রণালী নিয়ে নয়া আইনি এবং প্রশাসনিক বিধি আনব আমরা। হরমুজ এবং উপসাগরীয় অঞ্চলের জন্য নতুন অধ্য়ায়ের সূচনা হতে চলেছে। নয়া ব্যবস্থায় শান্তি ফিরবে হরমুজে, উন্নতি ঘটবে, উপসাগরীয় দেশগুলির আর্থিক মুনাফা হবে। (পারস্য উপসাগরীয়) গোটা অঞ্চলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণে, এই অঞ্চলের মানুষের নিরাপত্তা এবং কল্যাণ সুনিশ্চিতকরণে আমেরিকার কোনও ভূমিকা থাকবে না’।

উপসাগরীয় অঞ্চলে আমেরিকার সামরিক ঘাঁটি নিয়ে এদিন ফের কড়া বার্তা দেন মোজতবা। তাঁর কথায়, ‘এই অঞ্চলে আমেরিকার যে অলীক ঘাঁটি রয়েছে, তারা নিজেদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিতকরণেই অক্ষম। ফলে তাদের উপর নির্ভরশীল দেশগুলিকে কী ভাবে নিরাপত্তা দেবে তারা?’ 

আরও পড়ুন: প্রভিডেন্ট ফান্ড আছে? ন্যূনতম পেনশন বাড়তে পারে ৭.৫ গুণ, ১০০০-এর পরিবর্তে মিলবে…

শান্তিচুক্তিতে সিলমোহর দিতে ইরানকে বেশ কিছু শর্ত ধরিয়েছে আমেরিকা, যার মধ্যে অন্যতম হল, ইরানকে পরমাণু প্রকল্প থেকে সম্পূর্ণ ভাবে সরে আসতে হবে। কিন্তু এদিন মোজতবা স্পষ্ট জানিয়েছেন, পরমাণু এবং ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি ইরানের জাতীয় সম্পদ, যা যে কোনও মূল্য রক্ষা করবে তেহরান। মোজতবার কথায়, ‘দেশে এবং দেশের বাইরে থাকা ৯ কোটি ইরানীয় নিজেদের জাতিভিত্তিক পরিচয়, আধ্যাত্মিক, মানবিক, বৈজ্ঞানিক, শৈল্পিক এবং প্রযুক্তিগত যোগ্যতা সম্পর্কে সচেতন। দেশের জল, মাটি, আকাশ রক্ষার্থে তাঁরা যেমন প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, তেমনই পরমাণু ও ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি, ন্যানোটেকনোলজি, বায়োটেকনোলজির মতো জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থেও ব্রতী’।

যে সময় এই বিবৃতি প্রকাশ করলেন মোজতবা, তা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে যুদ্ধ নিয়ে পশ্চিম এশিয়ায় কার্যত একাকী তারা। আমেরিকার অবরোধের জেরে হরমুজ দিয়ে পণ্য সরবরাহও থমকে গিয়েছে। দফায় দফায় আলোচনা হলেও, আমেরিকার সঙ্গে শান্তিচুক্তি গতি পায়নি একেবারেই। এমন পরিস্থিতিতে হরমুজ নিয়ে বার্তা দিয়ে আসলে মোজতবা উপসাগরীয় দেশগুলিকে কাছে টানার চেষ্টা করছেন বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks