নয়াদিল্লি: মসজিদে রহস্যমৃত্যু লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গির। মসজিদে ঢোকার আগে একটি হোটেল থেকে খাবার খেয়েছিল সে। শেষ পর্যন্ত মসজিদের ভিতরেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে। তার মৃত্যু ঘিরে সন্দেহ দানা বাঁধছে। কারণ অতি সম্প্রতিই পাকিস্তানে লস্করের কমপক্ষে ২০ জন জঙ্গি মারা যায়। সেবারও রহস্যজনক পরিস্থিতিতে মৃত্যু হয় তাদের। (Lashkar Commander Dead in Pakistan)
পাকিস্তানের ইসলামাবাদের ঘটনা। লস্কর জঙ্গি কারি সইদ আব্দুল আজিজের মৃত্যু ঘিরে শোরগোল। সেখানকার কুবা মসজিদে ঢুকেছিল আজিজ। নমাজ পড়তে সেখানে পৌঁছয় সে। কিন্তু ফটক পেরোতেই হঠাৎই সংজ্ঞা হারিয়ে পড়ে যায় সে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থল থেকে যে ভিডিও সামেন এসেছে, তাতে দেখা গিয়েছে, মসজিদে ঢুকেই বাঁদিকের সিঁড়িতে বসে পড়ে আজিজ। এর পরই লুটিয়ে পড়ে সে। তাকে ওই অবস্থায় দেখে ছুটে যায় অন্য রা। (Pakistan News)
🪇 Another One Joins the List
🇵🇰📍 Qari Muhammad Saeed Abdul Aziz, described as a senior Jamaat-ud-Dawa (JuD) and LeT cadre, has died under mysterious circumstances near the entrance of Quba Mosque.
📌 According to reports, Qari Muhammad allegedly:
• Provided safe houses,… pic.twitter.com/UAAN4hwvb8— ARIKA🇮🇳🚩 (@nidhisj2001) August 8, 2026
লস্করের কম্যান্ডার ছিল আজিজ। জানা গিয়েছে, মসজিদে ঢোকার আগে একটি অচেনা হোটেলে ঢুকে খাবার খেয়েছিল আজিজ। এর পরই মৃত্য়ুর কোলে ঢলে পড়ে। ওই হোটেলের খাবার খেয়েই তার মৃত্যু হল কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়।
লস্করে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বে ছিল আজিজ। জম্মু ও কাশ্মীরে পুলিশ এবং সেনার এনকাউন্টারে নিহত জঙ্গিদের পরিবারকে সবরকম ভাবে সহযোগিতা জোগাত লস্করের যে বিভাগ, তার একেবারে মাথায় ছিল সে। এই ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ কারণ দিন কয়েক আগেই পাকিস্তানে অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর হামলায় লস্করের ৩০ জন প্রাণ হারায়।
একটি ভিডিও সামনে এসেছে, যেখানে রিজওয়ান হানিফকে বলতে শোনা গিয়েছে যে গত তিন-চার বছরে তাদের সংগঠনের বহু সদস্য় প্রাণ হারিয়েছে। ২০০৮ সালের মুম্বই হামলার নেপথ্যে ছিল লস্কর, যাতে ১৬৬ জন প্রাণ হারান। পাকিস্তানের ভিতরে এবং অধিকৃত কাশ্মীরে লস্করের অনেকে প্রাণ হারিয়েছে বলে খবর। পেশোয়ার, করাচি, রাওয়ালপিণ্ডি, রাওলাকোট, মুজফ্ফরবাদ মিলিয়ে সম্প্রতি ৩০ জনের বেশি প্রাণ হারায়।
হানিফের এই স্বীকারোক্তিও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ এই প্রথম লস্করের কোনও জঙ্গি সংগঠনের সদস্যদের মৃত্যুর কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করল। ‘আলকায়দা’ সংযোগে ২০০৫ সালেই লস্করকে নিষিদ্ধ করে রাষ্ট্রপুঞ্জ।
