February 23, 2026
b9872e7b381c1e3e4a03ac56e9c4f3511767981256373223_original.jpg
Spread the love


কলকাতা: বেশ কিছুদিন ধরে এমন কোনও মেসেজ পেয়েছেন, যেখানে বলা হচ্ছে ভারত সরকার হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারি চালাচ্ছে। কেন্দ্র সরকারের তরফে চালু হয়েছে হোয়াটসঅ্যাপ মনিটরিং গাইডলাইন। তবে এই বার্তা যে সম্পূর্ণ ভুয়ো তা জানিয়েছে প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো। পিআইবি ফ্যাক্ট চেক ডেস্কের পক্ষ থেকে এই দাবিকে ভুয়ো এবং মিথ্যা বলে খারিজ করে দেওয়া হয়েছে।

ভারত সরকার হোয়াটসঅ্যাপে সরাসরি নজরদারি চালাচ্ছে এমন খবর গুজব, কারণ হোয়াটসঅ্যাপের এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের কারণে সরকার বা হোয়াটসঅ্যাপও ব্যবহারকারীর বার্তা পড়তে পারে না; তবে সরকার সাইবার জালিয়াতি ও ভুয়ো খবর প্রতিরোধে মেসেজিং অ্যাপগুলোর জন্য সিম বাইন্ডিং নীতি আনার চেষ্টা করছে এবং তথ্য-প্রযুক্তি আইনে পরিবর্তনের মাধ্যমে জরুরি পরিস্থিতিতে নজরদারির ক্ষমতা বাড়ানোর প্রস্তাব দিয়েছে, যা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। 

সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এই ভাইরাল বার্তায় দাবি করা হচ্ছিল যে কেন্দ্র সরকার ব্যক্তিগত মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের বার্তাগুলিকেও পর্যবেক্ষণ করবে। আর এর জন্য দ্রুত ব্যবস্থা নিতে চলেছে কেন্দ্র। হোয়াটসঅ্যাপ ও হোয়াটসঅ্যাপ কলের জন্য এই নতুন কমিউনিকেশন গাইডলাইন আনছে কেন্দ্র। এই ভাইরাল বার্তায় বলা হয়েছে এবার থেকে সরকার সমস্ত হোয়াটসঅ্যাপ কল রেকর্ড করবে, সমস্ত রেকর্ডিং সঞ্চয় করে রাখা থাকবে। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম সহ সমস্ত সমাজমাধ্যম প্ল্যাটফর্মগুলিতে নজরদারি চালানো হবে। আপনার ডিভাইসের নিয়ন্ত্রণ থাকবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের হাতে। 

প্রায়শই এমন বার্তা ভাইরাল হয় যে ভারত সরকার হোয়াটসঅ্যাপে নজরদারির জন্য নতুন নির্দেশিকা চালু করেছে, যা PIB (Press Information Bureau) ফ্যাক্ট চেক মিথ্যা প্রমাণিত করেছে।

যদিও এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন বার্তা সুরক্ষিত রাখে, মেটাডেটা (যেমন কে কাকে কখন মেসেজ করেছে) সংগ্রহ করা হয়, যা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। 

হোয়াটসঅ্যাপ স্পষ্ট করে যে তাদের এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের কারণে তারা ব্যবহারকারীর বার্তা বা কলের বিষয়বস্তু দেখতে পায় না এবং এটি কেবলমাত্র প্রেরক ও প্রাপকের মধ্যে সুরক্ষিত থাকে। 

কীভাবে বুঝবেন কোনও তথ্য সত্য কিনা

প্রথমত সেই তথ্যের উৎস খুঁজে বের করতে হবে, সেই উৎসটি বৈধ বিশ্বাসযোগ্য হতে হবে। অন্য উৎস থেকে একই তথ্য যাচাই করে নিতে হবে। তথ্য সত্য কিনা তা প্রমাণ সাপেক্ষে যাচাই করে নেওয়া জরুরি। সময় ও প্রসঙ্গও এই মর্মে বিশ্লেষণ করে দেখা জরুরি। কোনও তথ্য পাওয়া মাত্রই তা যাচাই না করে শেয়ার করবেন না।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks