May 20, 2026
f1d104fd7acf9f1c68ef052e7fd87aba1779306160056206_original.jpg
Spread the love


কলকাতা: আইপিএলের ইতিহাসে প্রথম ভারতীয় হিসেবে সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। কিন্তু তাঁর সতীর্থ বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা ভারতীয় ক্রিকেটে নিজেদের এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেলেও মণীশ পারেননি। ধারাবাহিকতার অভাব, ভাগ্য সঙ্গ না দেওয়ায় জাতীয় দলেও বেশিদিন ঠাঁই হননি। কিন্তু আইপিএলে কেকেআরের জার্সিতে মণীশ যেন লাকিচার্ম। ২০১৪ আইপিএল ফাইনালে কেকেআরের জয়ের নেপথ্য কারিগর ছিলেন। ২০২৪ এও কেকেআর শিবিরে ছিলেন মণীশ। বুধবার মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধেও কেকেআরের হয়ে ম্য়াচ জেতানো ইনিংসটি খেললেন মণীশ। 

ইডেনে মুম্বইয়ের বিরুদ্ধে স্লো পিচে ৩৩ বলে গুরুত্বপূর্ণ ৪৫ রানের ইনিংস খেলেছিলেন। নিজের ইনিংসে ৬টি বাউন্ডারি হাঁকিয়েছিলেন ডানহাতি ব্যাটার। মণীশ বলছেন, ‘কেকেআর আমার ওপর বারবার ভরসা রেখেছে। এই দলের জার্সিতে অনেকগুলো দুর্দান্ত মুহূর্ত রয়েছে আমার কেরিয়ারে। মরশুমের শুরুর দিকে সুযোগ পাচ্ছিলাম না। সেভাবে দেখতে গেলে, এই ম্যাচেই আমি সঠিকভাবে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলাম। প্রথম চার ম্য়াচ ব্যাটিং করতে পারিনি। তবে আমার মনে হয়েছিল যে এটাই স্পেশাল ম্য়াচ। ক্রিজে টিকে থাকতে চেয়েছিলাম। রভম্যান ও কয়েকজনের সঙ্গে পার্টনারশিপও গড়েছি। আশা রেখেছিলাম যে নিজে ম্য়াচ জেতাতে পারব। দীপক ও বুমরার লেংথ বলে বাউন্ডারিগুলো সেরা ছিল।’

নিজে অন্যতম সিনিয়র একজন। কিন্তু দলে নিয়মিত সুযোগ মিলছে না। কীভাবে নিজেকে উদ্বুদ্ধ রাখেন? মণীশ বলছেন, ‘আমার জন্য এটাই গুরুত্বপূর্ণ যে যদি খেলতে নাও পারি, তাহলেও আমি যেন এই পুরো দলের একটা অংশ হয়ে থাকতে পারি। আর যেই আমার কাছে কিছু জানতে চায়, আমি সাহায্য করতে চাই। তাই মনে হয় পুরো সিরিজ জুড়েই আমি সেটাই করেছি। এটা অসাধারণ একটা দল। তরুণ আর অভিজ্ঞ সবাইকে নিয়ে, দারুণ বন্ধুত্ব আর বোঝাপড়া আছে।’

কেকেআরের অন্যতম সেরা ফিল্ডার মণীশ নিঃসন্দেহে। আরসিবি ম্য়াচেই পয়েন্টে যে ক্যাচ লুফেছেন, তা দেখে অবাক হয়ে গিয়েছিলেন তাঁর একসময়ের সতীর্থ বিরাট কোহলিও। নিজে এগিয়ে এসে মণীশকে অভিবাদনও জানিয়েছিলেন কিং কোহলি। মণীশ বলছেন, ‘হ্যাঁ, আমার মনে হয় আমরা হয়তো এক ঘণ্টা ব্যাটিং করি, আর প্রতিদিন প্রায় ৪৫ মিনিট নিরলসভাবে ফিল্ডিংয়ের অনুশীলন করি। বৃষ্টি হোক বা রোদ, এগুলো কোনও ব্যাপার না। আমি যেহেতু বোলিং করি না, তাই আমি ফিল্ডিং উপভোগ করি ও ফিল্ডিংয়ে নিজের অবদান রাখতে চাই।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks