মায়ামি: শেষ ষোলোয় মেক্সিকোর বিরুদ্ধে দুরন্ত জয়। ৩-২ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপের (FIFA World Cup 2026) কোয়ার্টার ফাইনালে আগেই প্রবেশ করেছে ইংল্যান্ড (India vs England) শিবির। শেষ আটের লড়াইয়ে এবার হ্যারি কেনের দলের সামনে নরওয়ে। আর্লিং হালান্ডদের (Erling Haaland) বিরুদ্ধে নামার আগে অবশ্য দল নির্বাচনের ক্ষেত্রে একাধিক সমস্যার মুখে পড়তে হচ্ছে ইংল্যান্ড কোচ থমাস টুখেলকে। দলের প্লেয়ারদের চোট, আঘাত একটা বড় সমস্যার কারণ হয়ে দেখা দিয়েছে। যা দল নির্বাচনেও প্রভাব ফেলতে চলেছে বলে মনে করা হচ্ছে।
ইংল্যান্ডের ডিফেন্স লাইন নিয়েই মূলত সমস্যা। দলের অন্যতম প্রধান সেন্টার ব্যাক মার্ক গুয়েহি মেক্সিকোর বিরুদ্ধে ম্য়াপেয়েছিলেন। যা সারিয়ে নরওয়ের বিরুদ্ধে আদৌ শনিবার মাঠে নামতে পারবেন কি না তিনি, তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। মার্ক বুধবার দলের মূল অনুশীলন সেশনে অংশ নেননি। কোয়ার্টার ফাইনালে আদৌ খেলবেন কি না মার্ক, তা শেষ পর্যন্ত মেডিক্যাল দল মূল্যায়ণ করবে। মিডফিল্ডার ডেক্লান রাইন পুরোপুরি সুস্থ নন এখনও। অনুশীলনেও নামতে পারেননি। আদৌ খেলবেন কি না নরওয়ের বিরুদ্ধে, তাও নিশ্চিত নয়। এদিকে, জ্যারেল কোয়ানসাহ সরাসরি লাল কার্ড দেখেছিলেন আগের ম্য়াচে। ফলে বাধ্যতামূলক দুটো ম্য়াচে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে তার ওপর। আর্লিং হালান্ডকে আটকানোর জন্য ইংল্যান্ডের ডিফেন্স লাইন শক্তপোক্ত না হলে কিন্তু কেনদের চাপ নিঃসন্দেহে বাড়তে।
এরমধ্য়ে আবার গোদের ওপর বিষোফোঁড়ার মত অভিজ্ঞ মিডফিল্ডার জর্ডন হেন্ডারসন টুর্নামেন্ট থেকে ছিটকে গিয়েছেন। মেক্সিকো ম্যাচে দলের গোলের পর সেলিব্রেশন করতে গিয়ে ফেন্সিং টপকাতে গিয়েছিলেন। তখন আচমকাই ব্যালান্স হারিয়ে ফেলেন তিনি। কব্জি মারাত্মকভাবে ভেঙে যায়। তাঁর অস্ত্রোপচার হয়েছে। তবে দেশে ফিরে বিশ্রাম নেওয়ার পরিবর্তে দলের হোটেলেই রয়েছেন হেন্ডারসন। তিনি দলের সঙ্গেই থাকবেন।
ইংল্যান্ডের সবচেয়ে বড় ত্রাস নিঃসন্দেহে হতে চলেছেন আর্লিং হালান্ড। এখনও পর্যন্ত চলতি বিশ্বকাপে সাত গোল করে সোনার বুট পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন। কিন্তু এই হালান্ড কিন্তু ইংল্যান্ডের জার্সিতেই খেলার কথা ছিল। ২০০০ সালে ইংল্যান্ডের লিডসে মাটিতেই জন্ম হয়েছিল নরওয়ের এই তারকা স্ট্রাইকারের। হালান্ডের বাবা ইংল্যান্ডের মাটিতে ফুটবল খেলতেন। হালান্ড নিজেও ম্য়াঞ্চেস্টার সিটিতে খেলেন, যে ক্লাবটি প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব।
হালান্ডের বাবা খেলতেন ইংল্যান্ডের ক্লাব নটিংহ্যাম ফরেস্ট, লিডস ইউনাইটেড ও ম্য়াঞ্চেস্টার সিটিতে খেলেছিলেন।
