May 17, 2026
3171e7a841cef2d13c860d1a227fc5c5177903773672150_original.jpg
Spread the love


সন্দীপ সরকার, কলকাতা: একটা সময় মনে করা হতো, তিনি ভারতের হয়ে খেলবেন। ভারত এ দলের হয়ে খেলেওছেন। তবে সিনিয়র দলের প্রতিনিধিত্ব করার স্বপ্নপূরণ হয়নি।

সেই অনুষ্টুপ মজুমদার পরে হয়ে উঠেছিলেন বাংলার ক্রিকেটে ক্রাইসিস ম্যান। রঞ্জি ট্রফিতে দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। দল যখনই বিপদে পড়েছে, বুক চিতিয়ে ব্যাট হাতে লড়াই করেছেন। দলের স্কোর ২৯/৩, দুর্গ হয়ে দাঁড়িয়েছেন হুগলির ক্রিকেটার। রান তাড়া করতে নেমে ফলো অনের আশঙ্কা? গার্ডরেল তুলে দিয়েছেন অনুষ্টুপই। ময়দান যাঁকে ভালবেসে ডাকে রুকু নামে। ৪২ বছর বয়সেও বাংলার হয়ে খেলে যাচ্ছিলেন।

তবে এবার নিজের কেরিয়ার নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন অনুষ্টুপ। বাংলার জার্সিতে হয়তো শেষ ম্যাচ খেলে ফেলেছেন। অবসরের ভাবনা চলছে রুকুর মাথায়। কোনও বিদায়ী ম্যাচ খেলে নয়, নীরবেই হয়তো বাইশ গজকে বিদায় জানাতে পারেন।

একমাত্র যদি না সিএবি থেকে তাঁকে বলা হয়, বিদায়ী ম্যাচ খেলার কথা।

কিন্তু কেন আচমকা এমন সিদ্ধান্ত? ঘটনা হচ্ছে, বাংলার বিভিন্ন বয়সভিত্তিক দলের কোচ চেয়ে বিজ্ঞপ্তি জারি করেছিল সিএবি। তাতেই আবেদন করেছেন অনুষ্টুপ ও অরিন্দম ঘোষ। দুজনই গত মরশুমেও ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলেছেন। ১৪ মে দুজনেরই ইন্টারভিউ নিয়েছে অরুণ লাল, কল্যাণ চৌধুরী ও দেবাঙ্গ গাঁধীর প্যানেল। 

শোনা গেল, বাংলার জুনিয়র দলের দায়িত্ব পাওয়ার দৌড়ে রয়েছেন অনুষ্টুপ। তিনি সিএবি গঠিত তিন সদস্যেক প্যানেলকে জানিয়েও দিয়েছেন যে, কোচিং করানোর সুযোগ পেলে ক্রিকেট ছেড়ে দেবেন।

কিন্তু এরকম নীরব বিদায় কেন? অনুষ্টুপ নিজে সরাসরি ভাহতে চাইলেন না। এমনিতেও এখন তিনি ফর্ম্যাট বেছে খেলেন। তবে গত রঞ্জি ট্রফিটা ভাল কাটেনি ব্যাটার অনুষ্টুপের। তাঁর ফিটনেস নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। তাই জুতোজোড়া তুলে রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রাথমিকভাবে। যদি কোচের দায়িত্ব পান,অবসর ঘোষণা করে দেবেন। না পেলে? সিএবি উদ্যোগী হলে তবেই বিদায়ী ম্যাচ খেলতে পারেন। তাঁর নিজের অন্তত ইচ্ছে নেই।

ঘরোয়া ক্রিকেটে ৯৬৯৯ রান করা বর্ণময় এক চরিত্র হয়তো নীরবেই ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন। একইভাবে, কোচিংয়ে সুযোগ পেলে অবসর নেবেন অরিন্দম ঘোষও।

সরে দাঁড়ালেন জাফর

সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নির্দেশে বাংলার সিনিয়র কোচ হতে ইচ্ছুকদের মধ্যে নতুন করে আরও চারজনের সাক্ষাৎকার নেওয়ার কথা ছিল অরুণ লাল-দেবাঙ্গ-কল্যাণদের। তবে, কোচের দৌড়ে অন্যতম হেভিওয়েট প্রার্থী ওয়াসিম জাফর নিজেই সরে গিয়েছেন। তাঁর অন্যত্র কথাবার্তা হয়ে গিয়েছে বলে জানিয়েছেন। বাকি তিনজন – শন টেট, সুরিন্দর ভাবে ও সাবির আলির সাক্ষাৎকার হয়েছে। শন টেটকে নিয়ে বেশ ইতিবাচক কমিটি। এঁদের মধ্যে সাবিরকে পেসারদের দায়িত্ব দেওয়া হতে পারে।

সিনিয়র দলের কোচ হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন লক্ষ্মীরতন শুক্ল, মনোজ তিওয়ারি ও ঋদ্ধিমান সাহাও। তবে ঋদ্ধিকে অনূর্ধ্ব ২৩ দলের দায়িত্বেই ভাবা হচ্ছে বলে খবর। যদিও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন সিএবি প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks