April 10, 2026
1b3e7b8a51eedb3c57da0b245c9d44f91769074347290484_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: প্রজাতন্ত্র দিবস ঘিরে ভারতে ‘২৬-২৬’ নাশকতার পাক ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস, খবর গোয়েন্দা সূত্রে। নাশকতা রুখতে দেশের নানা জায়গায় জারি করা হয়েছে হাই অ্যালার্ট। গোয়েন্দা সূত্রে খবর মিলেছে, ‘২৬ জানুয়ারির আগে দেশে বড় ধরনের নাশকতা ঘটানোর ছক। বিশেষ ষড়যন্ত্রের কোড নেম দেওয়া হয়েছে ‘২৬-২৬’, খবর । জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ ও পাঞ্জাবের কিছু গ্যাংস্টার একযোগে হামলার ছক কষছে, খবর গোয়েন্দা সূত্রে। দিল্লির নিরাপত্তা আরও জোরদার, বাড়ানো হয়েছে নজরদারি। 

আরও পড়ুন, খোলা জিপ নয়, ‘হাতির পিঠে চেপে’ জানানো হয়েছিল ‘অভিবাদন’, কেমন ছিল ২৬শে জানুয়ারি ১৯৫০-এ প্রজাতন্ত্র দিবসের সকালটা দিল্লিতে ?

প্রসঙ্গত, সদ্য ঘটে যাওয়া দিল্লির বুকে বিস্ফোরণ কাঁপিয়ে দিয়েছে গোটা দেশকে। কেড়ে নিয়েছে বহু প্রাণ। এরকম বিস্ফোরণ দেশের আরও চারটে শহরে ঘটলে, কী হত ?! ভাবতেই গায়ে কাঁটা দেয়।কারণ, গোয়েন্দা সূত্রকে উদধৃত করে সংবাদসংস্থার তরফে যে দাবি করা হচ্ছে, তা শুনে যে কোনও মানুষের হাত-পা ঠাণ্ডা হয়ে যাবে! সূত্রের দাবি,জঙ্গিদের প্ল্য়ান ছিল একটা দুটো নয়, ৪টে শহরে বিস্ফোরণ ঘটানো! দিন হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল ৬ ডিসেম্বরকে। কারণ ১৯৯২ সালে এই দিনেই বাবরি মসজিদ ধ্বংস হয়। আর জঙ্গিদের উদ্দেশ্য় ছিল বাবরি ধ্বংসের বদলা নেওয়া। সেই জন্য় তারা টার্গেট করেছিল অযোধ্য়ার রামমন্দিরকেও। দিল্লির ধাঁচে সিরিয়াল ব্লাস্টের জন্য় তৈরি করা হচ্ছিল একাধিক গাড়ি!ফরিদাবাদের ঘটনায় সামনে এসেছে জঙ্গিদের চমকে দেওয়া ডাক্তার-মডিউল। অর্থাৎ প্রাণ বাঁচানো ডাক্তারদের দিয়ে প্রাণ নেওয়ার কাজে লাগানো! এই বিস্ফোরণে মৃত্য়ু হয়েছে চিকিৎসক আল উমর উন নবি-র। আদিল আহমেদ রাথের এবং মুজাম্মিল আহমেদ নামে  দুই ডাক্তারকে গ্রেফতার করা হয়।

সূত্রের দাবি, গোয়েন্দা সূত্রকে উদধৃত করে সংবাদসংস্থার দাবি, জঙ্গিরা যে প্ল্য়ান করেছিল, তার উদ্দেশ্য় ছিল একসঙ্গে একাধিক বার্তা দেওয়া। অপারেশন সিঁদুরের বদলা। বাবরি মসজিদ ধ্বংসের বদলা। রিক্রুটমেন্ট সেলকে চাঙ্গা করা এবং তরুণদের নিজেদের দিকে আকৃষ্ট করা। এবং একেবারে দিল্লির বুকে বিস্ফোরণ ঘটিয়ে এই বার্তা দেওয়া, ইচ্ছা হলে তারা ভারতে যে কোনও প্রান্তে বিস্ফোরণ ঘটাতে পারে।গোয়েন্দা সূত্রে দাবি, ৪ শহরে বিস্ফোরণের জন্য় ৮ জনের দল তৈরি করা হয়েছিল। পরিকল্পনা ছিল, IED নিয়ে প্রতিটা শহরে পৌঁছে যাবে ২ জন করে। গোয়েন্দা সূত্রকে উদধৃত করে সংবাদসংস্থার আরও দাবি, জঙ্গিরা প্রথমে বিস্ফোরণ ঘটানোর পরিকল্পনা করেছিল ১৫ অগাস্ট। কিন্তু, কোনও কারণে সেই দিন পাল্টে করা হয় ৬ ডিসেম্বর।তা-ও সম্ভব না হলে জঙ্গিরা ২৬ জানুয়ারি বিস্ফোরণ ঘটানোর ছকও কষে রেখেছিল।ফরিদাবাদে বিস্ফোরক উদ্ধার এবং দিল্লির বিস্ফোরণের পর একে একে সামনে এসেছে জঙ্গিদের এই মারাত্মক পরিকল্পনা। কিন্ত প্রশ্ন হল এই সন্ত্রাসবাদী মডিউলের শাখা প্রশাখা আরও বিভিন্ন শহরে ছড়িয়ে নেই তো? এই আশঙ্কার মাঝেই পাক ষড়যন্ত্রের পর্দাফাঁস হল এবার।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks