June 9, 2026
30df40c9a3bee592305e4c3e113abaf817806796033671373_original.jpg
Spread the love


কলকাতা: ইতিমধ্যেই ভারতের বেশ কিছু জায়গায় E85 পেট্রোল পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু সাধারণ পেট্রোলের তুলনায় বেশ সস্তা এবং পরিবেশবান্ধব এই জ্বালানি কি ভবিষ্যতে বিকল্প শক্তির উৎস হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে? সেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে দিয়েছে। এ ছাড়াও যে সব মানুষের গাড়ি আছে, তাঁদের মনে E85 জ্বালানি নিয়ে একাধিক শঙ্কা ও একাধিক প্রশ্ন উঁকি দিতে শুরু করেছে। 

এর মধ্যে সব থেকে বড় প্রশ্ন হল, বর্তমানে যে সব গাড়ি চলে, সেই গাড়িতে কি E85 জ্বালানি ব্যবহার করা যাবে? এর স্পষ্ট উত্তর হল ‘না’। বর্তমানে ভারতে বিক্রি হওয়া সব গাড়িই E20 জ্বালানির জন্য উপযুক্ত। রাস্তায় চলাচল করা অনেক গাড়ি আবার E20 কমপ্যাটিবলও নয়। আর অন্যদিকে, E85-এ ইথানলের পরিমাণ অনেক বেশি হওয়ায় এই জ্বালানি ব্যবহার করতে বিশেষ ধরনের ইঞ্জিন, ফুয়েল ট্যাঙ্ক, ফুয়েল লাইন এবং ইলেকট্রনিক কন্ট্রোল ইউনিট (ECU) প্রয়োজন হয়। ফলে শুধুমাত্র ফ্লেক্স-ফুয়েল ব্যবহার করে চলতে সক্ষম গাড়িই E85 পেট্রোল ব্যবহার করতে পারবে।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হল, E85 কি ভবিষ্যতে E20-এর জায়গা নেবে? বিশেষজ্ঞদের মতে, সুদূর ভবিষ্যতে (Far Future) এমন কিছু হওয়ার সম্ভাবনা থাকলেও নিকট ভবিষ্যতে (Near Future) এমন কিছু হচ্ছে না। E20 জ্বালানি আগামী বহু বছর ভারতের প্রধান জ্বালানি হিসেবেই থাকবে। তবে, E85 সীমিত সংখ্যক ফুয়েল স্টেশনে পাওয়া গেলেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সেই সংখ্যাটা বৃদ্ধি পাবে।

অনেকেই ভাবছেন, নতুন গাড়ি কেনার ক্ষেত্রে অপেক্ষা করে ফ্লেক্স-ফুয়েল গাড়ি কেনা উচিত কি না? বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান বাজারে E20 পেট্রোলে চলতে সক্ষম গাড়িই এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বাস্তবসম্মত। কারণ ফ্লেক্স ফুয়েলে চলে, এমন গাড়ির সংখ্যা এখনও খুব কম। এ ছাড়াও E80 জ্বালানির পরিকাঠামো এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।

তবে ফ্লেক্স-ফুয়েল গাড়ির দাম কিছুটা বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। অতিরিক্ত প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের কারণে এই ধরনের গাড়ির দাম সাধারণ E20 গাড়ির তুলনায় বাড়তে পারে। যদিও মারুতি সুজুকি ইতিমধ্যেই তাদের ফ্লেক্স ফুয়েলে চলতে পারে এমন ওয়াগনার বাজারে নিয়ে এসেছে। তবুও এই প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসার ঘটতে আরও কয়েক বছর সময় লাগবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, E85 ভারতের জ্বালানি ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত খুলতে পারে, তবে আপাতত E20-ই দেশের প্রধান জ্বালানি হিসেবে থেকে যাবে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks