রাজকোট: ইডেন গার্ডেন্সের ময়দানে যেদিন দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে ৩০ রানে পরাজিত হল ভারত, সেইদিনই পশ্চিমবঙ্গ থেকে বেশ খানিকটা দূরে রাজকোটে দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’-কে (INDA vs SAA) কার্যত দুরমুশ করল ভারতীয় ‘এ’ দল। সৌজন্যে ভারতীয় বোলারদের দুরন্ত পারফরম্যান্স এবং রুতুরাজ গায়কোয়াড়ের (Ruturaj Gaikwad) অর্ধশতরান।
দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দলকে মাত্র ১৩২ রানে অল আউট করে ভারতীয় ‘এ’ দল ১৩৩ বল বাকি থাকতে নয় উইকেটে কার্যত দুরমুশ করল ভারত ‘এ’ দল। তিন ম্য়াচের সিরিজ়ের প্রথম দুই ম্যাচ জিতে ভারতীয় ‘এ’ দল ওয়ান ডে সিরিজ় জিতে নিল। বল হাতে এদিন পাঁচ ওভার হাত ঘুরিয়ে ২১ রানের বিনিময়ে তিন উইকেট নেন হর্ষিত রানা (Harshit Rana)। তবে ভারতের হয়ে সফলতম বোলার নিশান্ত সান্ধু (Nishant Sandhu)। বলে মাত্র ১৬ রানের বিনিময়ে চার উইকেট নেওয়ায় তাঁকে ম্যাচ সেরা ঘোষণা করা হল।
এদিন টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন প্রোটিয়া অধিনায়ক মার্কাস অ্যাকারম্যান। লুহান ডি-প্রিটোরিয়াসরা শুরুটা মোটামুটি করেন। তিনি নিজে ২১ রান করেন। আরেক ওপেনার রিভাল্ডো ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন। তবে প্রথম ম্যাচের মতোই টপ অর্ডারের কোনও ব্যাটার এই ম্য়াচেও বড় রান পাননি। শুরুতেই দক্ষিণ আফ্রিকার টপ অর্ডারে ধস নামান হর্ষিত রানা। শুরুতে হর্ষিতের পর প্রোটিয়া মিডল অর্ডারে ধস নামান নিশান্ত। রিভাল্ডোর ৩৩ রানের ইনিংসই এদিন প্রোটিয়াদের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। মাত্র ৩০.৩ ওভারেই ১৩২ রানে অল আউট হয়ে যায় দক্ষিণ আফ্রিকা ‘এ’ দল।
জবাবে ব্যাটে নেমে রুতুরাজ গায়কোয়াড় এবং অভিষেক শর্মার অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ প্রোটিয়া দলের জয়ের আশা ক্ষীণ করে দেয়। গত ম্যাচে সেঞ্চুরি হাঁকানোর পরে এই ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকে আসে অপরাজিত অর্ধশতরান। তাঁকে সঙ্গ দেন অধিনায়ক তিলক বর্মা। রুতুকে সহযোগিতা করার জন্যই স্বাভাবিকের থেকে অত্যন্ত ধীর গতিতে রান করেন তিলক। তবে তিনি শেষ পর্যন্ত ক্রিজে টিকে থেকে দলের জয় সুনিশ্চিত করেই মাঠ ছাড়েন। ৬২ বলে ২৯ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। রুতুরাজ ৬৮ রানে ক্রিজে অপরাজিত থাকেন।
হালে রুতুরাজ বেশ ভাল ছন্দে রয়েছেন। এই ম্যাচেও কিন্তু তাঁর দুরন্ত ফর্ম অব্যাহত রইল। ২৭.৫ ওভারেই ভারত ‘এ’ দল কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছে যায়।
