কলকাতা: পশ্চিম এশিয়ায় ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা ক্রমশই বাড়ছে। একই সঙ্গে অন্যান্য বৈদেশিক মুদ্রার তুলনায় শক্তিশালী হচ্ছে আমেরিকান ডলারও। আর এর ফলে শুক্রবার সোনা ও রুপোর দামে একটা পতন দেখা গেল। মাল্টি কমোডিটি এক্সচেঞ্জ বা MCX -এ এই দুই মূল্যবান ধাতুর দাম ১ শতাংশ পর্যন্ত কমে যায়। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক বাজারেও এই একই প্রবণতা দেখা গিয়েছে। সেই প্রভাবে দাম কমেছে দেশের বাজারেও।
আরও পড়ুন: ধর্মতলায় পুলিশকে লক্ষ্য করে জুতো, জলের বোতল; বামপন্থী ছাত্র সংগঠনের মিছিলে অবরুদ্ধ রাজপথ
এদিন বাজার খুলতেই MCX -এ অগস্ট ডেলিভারির সোনার ফিউচারের প্রতি ১০ গ্রামের দাম ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৩৯২ টাকায় নেমে যায়। যা আগের দিনের বন্ধ হওয়া দামের তুলনায় প্রায় ০.৩০ শতাংশ কম। দুপুরের দিকে সোনার দাম সব থেকে বেশি কমে যায়। সেই সময় ১ হাজার ৭৯ টাকা বা ০.৭৫ শতাংশ নেমে যায় সোনার দাম। এই সময় ১০ গ্রাম সোনার দাম হয় ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৭৪২ টাকা। পরবর্তীতে যদিও সোনার দাম বেশ কিছুটা বৃদ্ধি পায় ও ১০ গ্রামের দাম দাঁড়ায় ১ লক্ষ ৪২ হাজার ৩৭৬ টাকা। যদিও এই দামও গতদিনের তুলনায় ৪৪৫ টাকা বা ০.৩১ শতাংশ কমই।
অন্যদিকে, সেপ্টেম্বর ডেলিভারির রুপোর ফিউচারের প্রতি কেজির দাম এদিন খোলে ২ লক্ষ ১৮ হাজার ২৮০ টাকায়। পরবর্তীতে ২ হাজার ৫০ টাকা বা প্রায় ১ শতাংশ কমে যায় এদিন রুপোর দাম। এদিন প্রতি কেজি রুপোর দাম নেমে দাঁড়ায় ২ লক্ষ ১৭ হাজার ৩২৫ টাকায়।
আরও পড়ুন: ফের ১২ ঘণ্টা বন্ধ থাকবে সেকেন্ড ব্রিজ, বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দিল পুলিশ
আন্তর্জাতিক বাজারেও এদিন চাপের মুখে ছিল এই দুই মূল্যবান ধাতু। কমেক্সে (COMEX) সোনার দাম ০.৪৮ শতাংশ কমে যায়। প্রতি আউন্সে ৪ হাজার ৩০ ডলারে নেমে যায় সোনার দাম। একই ভাবে এদিন কমে যায় রুপোর দামও। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রায় ০.৪১ শতাংশ কমে প্রতি আউন্সে রুপোর দাম দাঁড়ায় ৫৭.৮০ ডলার।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আমেরিকার ডলার সূচক ১০১-এর উপরে উঠে যাওয়া এবং আমেরিকা ও ইরানের মধ্যে যে সংঘাত চলছে তাতে বিনিয়োগকারীদের মনোভাবে একটা বদল এসেছে। এর ফলে মূল্যবান ধাতুর বাজারে একটা বিরাট চাপ তৈরি হয়েছে।
