Strait Of Hormuz : ট্রাম্পের হুমকি (Donald Trump) সত্ত্বেও মাথা নোয়াল না ইরান (Iran War)। দ্বিতীয় দফায় পাকিস্তানের শান্তি আলোচনা নিয়ে উৎসাহ দেখাল না তেহরান। ইরানের তরফে জানানো হয়েছে, আলোচনার আগেই অত্যধিক দাবি চাপিয়ে দিচ্ছে আমেরিকা। হরমুজ প্রণালীতেও বাধা দেওয়া হচ্ছে। তাই পাকিস্তানের বৈঠকে রাজি নয় তারা।
কোন পথে আমেরিকা-ইরান আলোচনা
শান্তি আলোচনায় না বসলে ইরানের বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলিতে হামলা চালাবে আমেরিকা। সম্প্রতি এই হুমকি দিয়ে রেখেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। যদিও ট্রাম্পের হুমকিকে ততটা গুরুত্ব দিল না তেহরান। রবিবার ইরানের সরকারি সংবাদ সংস্থা জানিয়ে দিয়েছে, পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার আমেরিকা-ইরান শান্তি আলোচনায় অংশগ্রহণ করবে না তারা। যার ফলে প্রায় ২ মাস ধরে যুদ্ধ চলার পরও কোনও সমাধান সূত্র বেরিয়ে এল না।
কত তারিখে শেষ হচ্ছে আমেরিকা-ইরান যুদ্ধবিরতি
আগামী ২২ এপ্রিল শেষ হচ্ছে আমেরিকা-ইরান যুদ্ধবিরতি। ফলে তেহরান দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনায় অংশ না নিলে ইরানে আমেরিকার হামলা এখন সময়ের অপেক্ষা। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, সোমবারই পাকিস্তানে দ্বিতীয় দফার আলোচনার জন্য ওয়াশিংটনের প্রতিনিধি ইসলামাবাদে চলে যাবে। যদিও ইসলামিক রিপাবলিক নিউজ এজেন্সি জানিয়ে দিয়েছে, ওই বৈঠকে অনুপস্থিত থাকবে তেহরান।
কেন এই সিদ্ধান্ত নিল ইরান
তেহরানের তরফে জানানো হয়েছে, আলোচনার আগেই অত্যধিক দাবি করছে ওয়াশিংটন। শুধু তাই নয়, অবাস্তব প্রত্যাশা ও নিজের অবস্থান থেকে বার-বার সরে আসছে আমেরিকা। হরমুজে মার্কিন নৌবাহিনী নতুন করে এই শান্তি আলোচনায় বাধা সৃষ্টি করেছে। যে কারণে বৈঠক থেকে দূরে থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ইরান। রবিবারই এই বিষয়ে একটি বৈঠকে বসেছিলেন ইরানের প্রথম ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ রেজা আরেফ। কেন তারা আলোচনায় বসতে চান না, তার ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি। যেখানে রেজা বলেছেন, আমেরিকা শান্তি আলোচনা নিয়ে যে অবস্থান নিয়েছে, তা খুবই শিশুসুলভ ও খাপছাড়া। প্রথমে তারা চাপের মুখে যুদ্ধ বিরতির আহ্বান জানায়, পরে আবার সেই অবস্থান থেকে সরে এসে কঠোরতা দেখায়।
প্রথম দফার আলোচনায় কী হয়েছিল
এর আগে পাকিস্তানে ইরানের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় বসেছিল ওয়াশিংটন। আমেরিকার তরফে ২১ ঘণ্টার আলোচনায় অংশ নিয়েছিলেন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভান্স। কিন্তু সেই আলোচনার পরও কোনও সমাধানসূত্র বের হয়নি। এবার ট্রাম্পের হুমকির পর আরও ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে শান্তি আলোচনা। যার ফলে ফের বিশ্বের শেয়ার বাজারে ধস নামার আশঙ্কা করছেন বিনিয়োগকারীরা।
