April 8, 2026
57384ac489eb91885c6eade3d8f3dd6e177063174011050_original.jpg
Spread the love


মুম্বই: টি-২০ বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) মঞ্চে প্রথম ম্যাচেই চমকে দিয়েছে নেপাল। ইংল্যান্ডকে কার্যত হারিয়ে দিচ্ছিল। অল্পের জন্য মুখরক্ষা হয়েছে ইংরেজদের। নেপাল রবিবার এমন পারফরম্যান্স করেছে যে, প্রমাণ করে দিয়েছে যে তারা এখন আর শুধু একটি অংশগ্রহণকারী দল নয়। বরং অঘটন ঘটাতে প্রস্তুত। মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে স্টেডিয়ামে ইংল্যান্ডের মতো প্রাক্তন বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন দলের বিরুদ্ধে নেপাল জয়ের খুব কাছে পৌঁছে গিয়েছিল এবং শেষ ওভারে ম্যাচটির রুদ্ধশ্বাস পরিণতি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত ইংল্যান্ড ম্যাচটি জিতলেও নেপালের নির্ভীক ক্রিকেট মন জিতে নিয়েছে।

ইংল্যান্ডের বড় স্কোর

টসের পরে প্রথমে ব্যাট করে ইংল্যান্ড ২০ ওভারে ৭ উইকেটে ১৮৪ রান তুলেছিল। ক্যাপ্টেন হ্যারি ব্রুক দায়িত্ব নিয়ে ৫৩ রানের ইনিংস খেলেন। জ্যাকব বেথেলও ৫৫ রান করে দলকে মজবুত জায়গায় পৌঁছে দেন। স্কোরবোর্ড দেখে মনে হচ্ছিল ইংল্যান্ড সহজে ম্যাচ জিতবে, কিন্তু নেপাল হাল ছাড়ার লক্ষণ দেখায়নি।

নেপালের লড়াই

১৮৫ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে নেপাল শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মানসিকতা দেখায়। ক্যাপ্টেন রোহিত পাউডেল ৩৯ রান করে দলের হয়ে দারুণ সূচনা করেন। কুশল ভুর্তেল ঝোড়ো ২৯ রান যোগ করেন, দীপেন্দ্র সিংহ আইরির ৪৪ রানের ইনিংস ইংল্যান্ড শিবিরকে চাপে ফেলে দিয়েছিল। স্টেডিয়ামে প্রচুর নেপালের সমর্থকও হাজির ছিলেন।

শেষ ওভারে স্বপ্নভঙ্গ

ম্যাচের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর মুহূর্তটি আসে শেষ ওভারে, যখন নেপালের জয়ের জন্য মাত্র ১০ রান দরকার ছিল। এখানে ইংল্যান্ডের স্যাম কারান অভিজ্ঞতা দেখান এবং দুর্দান্ত বোলিং করে মাত্র ৪ রান দেন। নেপালের দল ১৮০ রানে থেমে যায় এবং ৪ রানে ম্যাচ হেরে যায়। যদিও তারা ইংল্যান্ডকে জয় উদযাপন করার চেয়ে বেশি স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে বাধ্য করেছিল।

মুগ্ধ যুবরাজ

নেপালের এই পারফরম্যান্সের সর্বত্র প্রশংসা হচ্ছে। যুবরাজ সিংহ বলেছেন, “নেপালের দলকে হৃদয় থেকে সম্মান। ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলের সামনে হার মানেনি, শেষ বল পর্যন্ত লড়াইয়ে টিকে ছিল এবং প্রমাণ করে দিয়েছে যে, সাহস ও আত্মবিশ্বাস কী করতে পারে। এভাবেই দলগুলো পরিণত হয় এবং এখান থেকেই ভবিষ্যতের চ্যাম্পিয়নরা বের হয়। আজ পুরো ক্রিকেট বিশ্ব তোমাদের দেখছে।”

অন্যদিকে, আর অশ্বিন নেপালকে উদীয়মান দলগুলির মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী বলেছেন। ইরফান পাঠান বলেছেন, “ফলাফল যদিও মনের মতো হয়নি, কিন্তু দিশা একেবারে সঠিক। নেপাল পরিষ্কারভাবে দেখিয়েছে যে তাদের দল সঠিক পথে আছে এবং ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলকে চাপে ফেলা তাদের একটি বড় সাফল্য।”

ডেল স্টেন তো নেপালের কোচ হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। বলেছেন যে, এই দল ক্রমাগত উপরের দিকে উঠছে।

পরের চ্যালেঞ্জ ওয়েস্ট ইন্ডিজ

নেপাল এবার ১৫ ফেব্রুয়ারি ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে খেলবে। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে পারফর্ম্যান্সের পর পরিষ্কার যে নেপাল এই ম্যাচেও কোনও বড় অঘটন ঘটাতে পারে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks