July 13, 2026
eae4b2c7bd0eb2ce8b421f5d2f6f94461783953565338170_original.jpg
Spread the love


ইরানের সঙ্গে নতুন করে উত্তেজনার আবহ। এই পরিস্থিতিতে বড় দাবি করলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ‘আমেরিকা হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নেবে’ বলে মন্তব্য করলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। এবং, বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই ‘জলপথ নিরাপদ করার জন্য’ তাদের অর্থ দেওয়া উচিত বলেও দাবি তাঁর। প্রসঙ্গত, বিশ্বের এক-পঞ্চমাংশ তেল ও গ্যাস সরবরাহ হয় এই জলপথ দিয়ে।

ফক্স নিউজকে ফোনে দেওয়া এক ইন্টারভিউতে ট্রাম্প বলেন, “আমরা প্রণালীটির নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতেই রাখব এবং সম্ভবত এর পরিচালনার দায়িত্বও আমরাই পালন করব। আমরাই হব এই প্রণালীর অভিভাবক—হয়তো আমরা একে ‘প্রণালীর অভিভাবক-দেবদূত’ হিসেবে অভিহিত করব। আর এর জন্য আমাদের উপযুক্ত প্রতিদান বা খরচ বাবদ অর্থ দেওয়া উচিত।”  

পারস্য উপসাগরে নতুন করে সামরিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরান যখন পরস্পরবিরোধী দাবি জানাচ্ছে, ঠিক তখনই ট্রাম্প এই মন্তব্য করলেন। ইরান জোর দিয়ে বলে আসছে যে, এই জলপথের ওপর তাদেরই কর্তৃত্ব রয়েছে। অন্যদিকে আমেরিকার অবস্থান হল, আন্তর্জাতিক অধিকার অনুযায়ী বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচল অব্যাহত রয়েছে।  

হরমুজ প্রণালী পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। বিশ্বের মোট তেল ও LNG সরবরাহের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই সরু জলপথ দিয়ে পরিবাহিত হয়, যা এটিকে বিশ্বের অন্যতম কৌশলগত গুরুত্বপূর্ণ জলপথে পরিণত করেছে। এই পথে জাহাজ চলাচলে কোনও ব্যাঘাত ঘটলে তা বিশ্ববাজারে জ্বালানির দাম বাড়িয়ে দিতে পারে।

যদিও হরমুজ প্রণালীর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার বিষয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য ইরান সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যাখ্যান করেছে। সে দেশের যৌথ সামরিক কমান্ড সতর্ক করে দিয়েছে যে,এই জলপথে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে কোনও ধরনের হস্তক্ষেপ করতে দেওয়া হবে না।

ইরানের অনুমতি ছাড়া মার্কিন বাহিনীর প্রণালী দিয়ে চলাচলের যে কোনও প্রচেষ্টার বিরুদ্ধে “কঠোর প্রতিরোধ” গড়ে তোলা হবে বলে সামরিক বাহিনী জানিয়েছে। এছাড়া আঞ্চলিক দেশগুলিকে সতর্ক করে বলা হয়েছে যে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে যে কোনও ধরনের সহযোগিতাকে “ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধ” হিসেবে গণ্য করা হবে। সেই সঙ্গে আরও বলা হয়, সংঘাতের বিস্তার ঘটলে তা পুরো অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়বে এবং এর “দায়ভার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও তার মিত্রদের ওপরই বর্তাবে।”

এদিকে ইন্টারভিউতে ট্রাম্প অভিযোগ করেছেন, সমঝোতা-পর্বে ইরান বারবার নিজের অবস্থান বদলে চলেছে এবং গত মার্কিন প্রশাসন তেহরানকে শক্তিশালী হতে দিয়েছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks