August 1, 2026
ca338d7cda4e2ac0a4881b94e4e677e61785407735378394_original.jpg
Spread the love


Nitin Gadkari : দেশে ই-২০ পেট্রোল নিয়ে বিতর্কের মাঝেই এবার সংসদে মুখ খুললেন মন্ত্রী। কেন ভারতে ইথানল মিশ্রিত এই জ্বালানির প্রয়োজন রয়েছে, তা স্পষ্ট ব্যাখ্যা দিলেন কেন্দ্রীয় সড়ক পরিবহণ ও মহাসড়ক মন্ত্রী নীতিন গড়করি। এক প্রশ্নের লিখিতে জবাবে মন্ত্রীর মুখে শোনা গেল আসল কথা।

E-20 Petrol কি গাড়ির জন্য ক্ষতিকারক
সংসদে এই বিষয়ে আজ স্পষ্ট ব্যাক্ষা দিয়েছেন নীতিন গড়করি। তিনি বলেছেন, গত আড়াই বছর বছর ধরে ২০ কোটি বাইক ও ৩ কোটি গাড়ি এই E-15 ও E-20 পেট্রোলে চলেছে। এরপরও এর ইঞ্জিনে কোনও ধরনের প্রামাণ্য ক্ষতি বা গাড়ি নষ্ট হওয়ার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পেট্রোলে ইথানল মেশানোর ফলে এই ধরনের ঘটনা ঘটেছে, তাও কেউ বলেনি।

কী বলছে গাড়ি প্রস্তুতকারকরা
মন্ত্রীর দাবি, E-20 পেট্রোলে গাড়ির ক্ষতি হচ্ছে এরকম কিছু বলেনি গাড়ি প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি। এই বিষয়ে চলতি বছরেই ২ কোটি ৮৪ লক্ষ গাড়ির সার্ভিসিংয়ের তথ্য নেওয়া হয়েছে দেশের বড় গাড়ি তৈরির কোম্পানির থেকে। E-20 পেট্রোলে গাড়ির ইঞ্জিনের কোনও ক্ষতি হচ্ছে বা তার যন্ত্রাংশের আয়ু কমছে,এরকম কোনও কথা বলেনি কোম্পানি। একই কথা বলেছে দেশের নেতৃত্বস্থানীয় বাইক প্রস্তুতকারক কোম্পানি।      
 
কেন ই-২০ পেট্রোল দেশবাসীর জন্য প্রয়োজন ?
এই কথার যুক্তি দিয়েছেন খোদ মন্ত্রী। গড়করি বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দামে ওঠানামা থেকে দেশবাসীকে রক্ষা করতেই ইথানল মিশ্রিত জ্বালানি ব্যবহার শুরু হয়েছে। বিশেষ করে পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ বিশ্ব বাজারে তেলের দাম আকস্মিকভাবে বাড়িয়ে দিয়েছিল। যেহেতু ভারত বিদেশের বাজার থেকে জ্বালানি আমদানি করে, তাই সেই রেট অনুযায়ী তেল কিনলে অনেক বেশি দাম দিতে হত ক্রেতাদের। 

১২৫ টাকা চলে যেত পেট্রোলের দাম
সম্প্রতি আমেরিকা-ইরান যুদ্ধের মারাত্মক প্রভাব পড়েছে অপরিশোধিত তেলের দামে। যার ফল ভুগতে হয়েছে ভারতকেও। পরিস্থিতি যেরকম ছিল, তাতে দেশবাসীকে ১২৫ টাকায় কিনতে হত পেট্রোল। যদিও দিল্লিতে লিটার পিছু পেট্রোল কেবল ৯৪.৭৭ টাকায় পাওয়া গিয়েছে। এটা কেবল ইথানল মিশ্রিত পেট্রোলের জন্যই সম্ভব হয়েছে। কারণ রাষ্ট্রায়ত্ত তেল বিপণন কোম্পানিগুলি লিটার পিছু ৭৭ টাকায় ইথানল তৈরি করতে পারছে।

রাজ্যসভায় প্রশ্নের উত্তরে কী জানিয়েছেন মন্ত্রী
বুধবারই রাজ্য়সভায় E-20 পেট্রোল ব্যবহার নিয়ে এক প্রশ্নের লিখিত জবাব দিয়েছেন গড়কড়ি। যেখানে তিনি জানিয়েছেন, BS-III গাড়িতে এই জ্বালানি ব্যবহার করলে বদলাতে হতে পারে গাড়ির গ্যাসকেট ছাড়াও রাবার পার্টস। তবে সব গাড়ির ক্ষেত্রে এটি প্রয়োজন নেই। যে BS-III গাড়িগুলি ২০০৫ সালের ১ এপ্রিল চালু হয়েছিল ও ২০১৬ সালের আগে তৈরি হয়েছে কেবল সেই গাড়িগুলির যন্ত্রাংশ বদলাতে হতে পারে। 

আরও পড়ুন : E-20 পেট্রোল ব্যবহার করলে বদলাতে হবে গাড়ির এই পার্টস, এবার সংসদে ‘বড় বয়ান’ গড়কড়ির 

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks