Trump Modi Talks : পশ্চিম এশিয়ায় থামছে না যুদ্ধ পরিস্থিতি (US Iran War)। ইরান-আমেরিকা শান্তি আলোচনায় (Iran US Peace Talks) বেরোয়নি কোনও ফল। পাকিস্তানের মধ্যস্থতায় লাভ হয়নি, উল্টে দ্বিতীয় দফায় পাকিস্তানে শান্তি আলোচনা হতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এই পরিস্থিতিতে মঙ্গলবারই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) কল করেছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজেই সেই বিষয়ে সোশ্য়াল মিডিয়ায় জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। কী কথা হয়েছে দুই রাষ্ট্রপ্রধানের ?
ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপ নিয়ে যা বলেছেন মোদি
সোশ্য়াল মিডিয়ায় মোদি বলেছেন, ” আমার বন্ধু প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ফোন কল পেয়েছি। বিভিন্ন বিষয়ে আমাদের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতায় অর্জিত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নিয়ে পর্যালোচনা হয়েছে। সকল ক্ষেত্রে আমাদের ‘গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ’কে আরও জোরদার করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আমরা পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেছি। হরমুজ প্রণালীকে উন্মুক্ত ও নিরাপদ রাখার গুরুত্বের ওপর জোর দিয়েছি। ”
আমেরিকার তরফে এসেছে কী বার্তা
নরেন্দ্র মোদি ও মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই ফোনালাপকে খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে ওযাশিংটন। মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর বলেছেন, ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক বর্তমানে অত্যন্ত মজবুত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে। “আগামী কয়েক দিন বা সপ্তাহের মধ্যেই ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে জ্বালানি খাতসহ বেশ কিছু বড় মাপের চুক্তি স্বাক্ষরিত হওয়ার আশা রয়েছে।”
মোদি নিয়ে ট্রাম্পের মন্তব্য
গর জানিয়েছেন, দুই রাষ্ট্রনেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে। সংবাদ সংস্থা পিটিআই রিপোর্ট বলছে, ট্রাম্প মোদিকে বলেছেন,”আপনার জানা উচিত, আমরা সবাই আপনাকে ভালোবাসি।” এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি প্রধানমন্ত্রী মোদি ও ট্রাম্প দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তির বিষয়ে ফোনে কথা বলেছিলেন। এরপর গত ২৪ মার্চ ফের দুই রাষ্ট্রনেতার কথা হয়। সেই সময় তাঁরা ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন। তবে আজ প্রায় ৪০ মিনিট ধরে কথা হয় মোদি-ট্রাম্পের।
এই কল ঘিরে এত উত্তাপ কেন
কোনওভাবেই শান্তি চুক্তিতে সহমত হচ্ছে না আমেরিকা-ইরান। হরমুজ নিয়ে নতুন করে তৈরি হয়েছে জটিলতা। ডোনাল্ড ট্রাম্প হরমুজ প্রণালীতে নৌসেনা পাঠাতেই আরও উত্তপ্ত হয়েছে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি। সেই সময়ে ট্রাম্পের এই ফোন বিশ্বের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অন্তত তেমনই মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্কের বিশেষজ্ঞরা। এই সময়, দুই দেশই মধ্যপ্রাচ্যের ঘটনাবলীর ওপর নজর রাখছে।
