March 12, 2026
499b605d486ceb90cca9a04e5520df881772376156980338_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: ইরানের সর্বোচ্চ শাসক আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুকে তপ্ত আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনীতি। এমন পরিস্থিতিতে জরুরি ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির বৈঠক ডাকলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। পশ্চিম এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হবে বৈঠকে। রবিবার রাতেই ওই বৈঠক হতে চলেছে। (Cabinet Committee on Security/CCS)

সরকারি সূত্রকে উদ্ধৃত করে এই খবর জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। তারা বলে, “আজ রাতেই দুই দিনের সফর সেরে দিল্লি ফিরছেন মোদি। রাত ৯.৩০টায় দিল্লিতে নামবেন, তার পরই বসবেন বৈঠকে।” দেশের নিরাপত্তা এবং কৌশলগত বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের সর্বোচ্চ জায়গা CCS, যার নেতৃত্বে রয়েছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংহ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অর্থমন্ত্রী CCS-এর সদস্য। (Narendra Modi)

শনিবার সকালে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল যখন ইরানে হামলা চালায়, তার ঠিক আগেই ইজ়রায়েল সফর সেরে ফিরেছিলেন মোদি। মোদির সেই ইজ়রায়েল সফর নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিল ইরান। চবাহার বন্দরের বাজেট বরাদ্দ বন্ধ রাখার সমালোচনা করে তারা, পাশাপাশি, প্যালেস্তাইন নিয়ে দিল্লির সহযোগিতা প্রার্থনা করে। এর পরই একযোগে ইরানে হামলা চালায় আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল। 

ইরানে আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের হামলা, সেই হামলায় খামেনেইয়ের মৃত্যু এবং সর্বোপরি পশ্চিম এশিয়ার উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে এখনও পর্যন্ত সরকারি ভাবে নিজের অবস্থান জানায়নি ভারত। এদিন মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা কমিটির বৈঠকে সেই নিয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। পশ্চিম এশিয়ায় আটকে পড়া ভারতীয়দের ফেরানো নিয়ে কিছু সিদ্ধান্ত হয় কি না, সেদিকেও তাকিয়ে সকলে। 

তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে মোদি সরকারের ভূমিকার তীব্র সমালোচনা করেছে কংগ্রেস। কংগ্রেস সাংসদ জয়রাম রমেশ বলেন, “২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি ইজ়রায়েল সফরে ছিলেন মোদি। আমেরিকা এবং ইজ়রায়েল ইরানে হামলা চালাতে পারে, ইরানে ক্ষমতার পালাবদল ঘটতে পারে বলে সেই সময়ই ওয়াকিবহাল ছিল গোটা বিশ্ব। ইজ়রায়েলে দাঁড়িয়ে মোদির ভাষণ ছিল লজ্জাজনক, নৈতিক কাপুরুষতার প্রদর্শন। ইরানের উপর যে যুদ্ধ নামানো হয়েছে, যে হত্যাকাণ্ড চালানো হয়েছে, তা ভারতের নীতি, স্বার্থ এবং মূল্যবোধের পরিপন্থী।”

আফগানিস্তান এবং পাকিস্তানের সংঘর্ষ নিয়ে আমেরিকা যেখানে প্রকাশ্যে পাকিস্তানকে সমর্থন করছে, সেই সময় মোদি সরকারের বিদেশনীতি দিশাহীন বলেও মন্তব্য করেন জয়রাম। তাঁর কথায়, “আমেরিকার প্রেসিডেন্ট পাকিস্তানের প্রতি অনুরাগ দেখাচ্ছেন, এমন একজনের প্রশংসা করছেন, যাঁর উস্কানিমূলক ভাষণের জেরেই পহেলগাঁওয়ে হামলার ঘটনা ঘটে। আফগানিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধেও পাকিস্তানকে সমর্থন করছেন উনি। কিন্তু আমাদের প্রধানমন্ত্রী সম্পূর্ণ নীরব। ”

সবিস্তার আসছে



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks