March 14, 2026
6de6c988d2ac149a60d0d96b163dea9e1772548300473170_original.jpg
Spread the love


ওয়াশিংটন ডিসি : সমঝোতা কী হবে ? আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে কি মিটে যাবে ইরানের সঙ্গে আমেরিকা ও ইজরায়েলের সংঘর্ষ ? এনিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চা চলছে। কারণ, এই সংঘর্ষের জেরে পশ্চিম এশিয়ার বিভিন্ন দেশে আটকে রয়েছেন বহু মানুষ। যারা দেশে ফিরতে সমস্যায় পড়েছেন। দ্রুত সমস্যার সমাধান চাইছেন তাঁরা। হামলা-পাল্টা হামলা জারি থাকলে ভোগান্তি আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। এরই মধ্যে সোশাল মিডিয়ায় নিজের মতামত জানিয়ে দিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্টে। ইরানের সঙ্গে আলোচনার দাবি ওড়ালেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। Truth Social-এ একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘ওদের এয়ার ডিফেন্স, বায়ুসেনা, নৌসেনা এবং নেতৃত্ব শেষ। ওরা কথা বলতে চায়। আমি বলেছি, অনেক দেরি হয়ে গেছে।’

মুহুর্মুহু বোমাবর্ষণ। অন্ধকারে মিসাইল হামলা। আকাশ বাতাস কাঁপানো শব্দে বিস্ফোরণ। ঘন ঘন ওয়ার সাইরেনের কাঁপুনি ধরানো শব্দ। আমেরিকা-ইজরায়েল বনাম ইরানের যুদ্ধের আঁচে পুড়ছে পশ্চিম এশিয়া। সোমবার ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছিলেন, আমেরিকা সতর্ক করা সত্ত্বেও, ইরান পারমাণবিক কর্মসূচি বন্ধ করেনি। তাই তারা হামলা করেছেন। ইরানের দাবি, ইজ়রায়েল-আমেরিকার যৌথ হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ইরানের নাতানজ় পরমাণুকেন্দ্র। পাল্টা জবাবের পথে হেঁটেছে ইরানও। আয়াতোল্লা আলি খামেনেই-এর হত্য়ার বদলা নিতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের বন্ধু দেশগুলোর ওপর আঘাত হানতে শুরু করেছে তারা। সংযুক্ত আরব আমিরশাহী, কুয়েত, কাতার, বাহারিন, জর্ডনের মতো গল্ফের যে দেশগুলিতে মার্কিন সামরিক স্থাপনা রয়েছে, সেখানে সেখানে আঘাত হেনেছে ইরান। ইরানের রেভলিউশনারি গার্ড দাবি করেছে, তারা ইজ়রায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর দফতরেও হামলা চালিয়েছে। আর এর জেরে চরম উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে পশ্চিম এশিয়াজুড়ে। যুদ্ধের জেরে, পশ্চিম এশিয়ার বিস্তীর্ণ আকাশসীমা বন্ধ। বাতিল অংসখ্য় বিমান। সবথেকে উদ্বেগের বিষয় হল, লাগাতার যুদ্ধ চললে বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। আর তেমনটা হলে ভারতেও জ্বালানির দাম দাম হু হু করে বাড়বে। আর জ্বালানির দাম বাড়লে নিত্য় প্রয়োজনীয় প্রত্য়েকটা জিনিসের দাম বাড়বে।

এই পরিস্থিতিতে এই ইস্যুতে এদিন বিবৃতি জারি করেছেন ভারতের বিদেশ-মন্ত্রকের মুখপাত্র। তাতে বলা হয়েছে, ‘ভারত দৃঢ়ভাবে আলোচনা এবং কূটনীতির আহ্বান পুনরায় জানাচ্ছে। আমরা সংঘাতের দ্রুত অবসানের পক্ষে স্পষ্টভাবে আমাদের আওয়াজ তুলছি। ইতিমধ্যেই, দুঃখজনকভাবে অনেক প্রাণহানি ঘটেছে এবং আমরা এই বিষয়ে শোকপ্রকাশ করছি… গল্ফ অঞ্চলে প্রায় এক কোটি ভারতীয় নাগরিক বসবাস করেন এবং কাজ করেন। তাঁদের নিরাপত্তা এবং কল্যাণ সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের বিষয়। আমাদের বাণিজ্য এবং জ্বালানি সরবরাহ চেইন এই এলাকা জুড়ে। যে কোনও বড় ধরনের ব্যাঘাত ভারতীয় অর্থনীতির জন্য গুরুতর পরিণতি ডেকে আনবে। ভারত বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলের উপর আক্রমণেরও দৃঢ় বিরোধিতা করে। ইতিমধ্যেই, গত কয়েকদিনে এই ধরনের হামলার ফলে কিছু ভারতীয় নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন অথবা নিখোঁজ হয়েছেন… দুর্ভাগ্যবশত, পবিত্র রমজান মাসে, এই অঞ্চলের পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্যভাবে এবং ক্রমাগত অবনতি হয়েছে।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks