March 13, 2026
c253b33f6dc70d05ecf781e78b7e0129177337668677550_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: টি-২০ বিশ্বকাপ জেতার পর আমদাবাদের হনুমান মন্দিরে ট্রফি নিয়ে গৌতম গম্ভীর, সূর্যকুমার যাদব, জয় শাহদের যাওয়াকে তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন কপিল দেবের বিশ্বকাপজয়ী দলের ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ। যা নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়। কড়া প্রতিক্রিয়া দেন গম্ভীরও।

তিনি যে কীর্তি আজাদের কথায় আমল দিচ্ছেন না, তা ফের একবার প্রমাণ করে দিলেন গম্ভীর। ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীর গুরুদ্বারে গিয়ে পুজো দিলেন। টি-২০ বিশ্বকাপ নিয়ে মন্দিরে পুজো দিতে নিয়ে যাওয়া নিয়ে বিতর্কের মাঝেই গুরুদ্বারে প্রার্থনা করতে গেলেন গম্ভীর। ভারতীয় দলের প্রাক্তন ক্রিকেটার এবং তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ কীর্তি আজাদ ট্রফি মন্দিরে নিয়ে যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। 

ভারতীয় দলের অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব এবং কোচ গৌতম গম্ভীর টি-২০ বিশ্বকাপ জেতার পর ট্রফি নিয়ে আমদাবাদে অবস্থিত হনুমান মন্দিরে গিয়েছিলেন। এরপর কীর্তি আজাদ কটাক্ষ করেন। 

কী বলেছিলেন কীর্তি আজাদ? 

সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ একটি পোস্ট শেয়ার করে কীর্তি আজাদ বলেছিলেন, ‘আমরা ১৯৮৩ সালে কপিল দেবের নেতৃত্বে বিশ্বকাপ জিতেছিলাম। আমাদের দলে হিন্দু, মুসলিম, শিখ এবং খ্রিস্টান সবাই ছিলেন। আমরা ট্রফিটিকে আমাদের জন্মভূমি, আমাদের মাতৃভূমি ভারত, হিন্দুস্তানে নিয়ে এসেছিলাম। তাহলে ট্রফিটিকে কেন মন্দিরে টানা হচ্ছে? মসজিদ কেন নয়? চার্চ কেন নয়? গুরুদ্বার কেন নয়? এই দল ভারতের প্রতিনিধিত্ব করে – সূর্যকুমার যাদব বা জয় শাহের পরিবারের নয়!’

কীর্তি আজাদের পোস্টের পর বিতর্কের ঝড় বয়ে যায়। স্বয়ং গম্ভীরও তাঁর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানিয়ে বলেছিলেন যে, ‘এমন মন্তব্য করে আপনার খেলোয়াড়দের অপমান করছেন।’ এছাড়াও গম্ভীর বলেছিলেন যে, এমনিতেও এই প্রশ্নের উত্তর দেওয়া ঠিক নয়। 

বিতর্কের মধ্যে দিল্লির গুরুদ্বারে গেলেন গম্ভীর 

গম্ভীর বৃহস্পতিবার দিল্লিতে অবস্থিত শ্রী রকাব গঞ্জ সাহেব-এ যান, যার ভিডিও সামনে এসেছে। ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, গম্ভীর তাঁর মাথা ঢেকে রেখেছেন। 

ফাইনালে নিউজিল্যান্ডকে হারিয়েছে 

টি-২০ বিশ্বকাপের ফাইনাল ভারত এবং নিউজিল্যান্ডের মধ্যে খেলা হয়েছিল। ম্যাচে টিম ইন্ডিয়া ৯৬ রানে জয়লাভ করে তৃতীয়বারের মতো টি-২০ বিশ্বকাপের খেতাব নিজেদের নামে করে। ভারত পরপর দুবার টি-২০ বিশ্বকাপ জেতা প্রথম দেশ হয়ে গেল। 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks