March 15, 2026
3213e2e3c5f1eb15e2f1423f642cfec01773513865002485_original.jpg
Spread the love


Iran Israel US War: আয়াতোল্লা আলি খামেনেইয়ের মৃত্যুর পরই ইরান জানিয়েছিল তারা প্রতিশোধ নেবে। এরপর থেকে ইজরায়েল এবং আমেরিকার প্রতিটি হামলার কড়া জবাব দিয়েছে ইরান। আক্রমণ-প্রতি আক্রমণ চলছে বর্তমানেও। সম্প্রতি ইরানের খার্গ দ্বীপের তেলের ভাণ্ডারে হামলা করেছিল আমেরিকা। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লাগাতার বোমা বর্ষণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেখানে। এই হামলার পাল্টা জবাব দিয়েছে ইরান। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির ফুজাইরাহ উপকূলীয় শহরের গুরুত্বপূর্ণ বন্দর তথা শক্তিক্ষেত্রে হামলা করেছে তারা। এর পাশাপাশি দিয়েছে চরম হুঁশিয়ারি। সংযুক্ত আরব আমরশাহির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বন্দর এলাকা যেন অবিলম্বে খালি করে দেওয়া হয়, সেই হুমকিই দেওয়া হয়েছে ইরানের তরফে। অনুমান, আগামীতে ইরানের সম্ভাব্য আক্রমণের নিশানায় রয়েছে এই তিন বন্দর সংলগ্ন এলাকা। 

দুবাইয়ের জাবেল আলি বন্দর, আবু ধাবির খালিফা বন্দর এবং ফুজাইরাহ বন্দর (যেখানে ইতিমধ্যেই হামলা হয়েছে বলে অনুমান) – ইরানের তরফে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এই তিন গুরুত্বপূর্ণ বন্দর সংলগ্ন এলাকা খালি করে দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে বাসিন্দাদের। এমনটাই খবর পাওয়া গিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিমের প্রতিবেদন অনুসারে। এই ইরানি সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, যে তিন বন্দরের উল্লেখ করা হয়েছে সেখানে হামলা চালাতে পারে ইরান। কারণ এইসব এলাকায় সাধারণ মানুষের বসতির পাশাপাশি রয়েছে মার্কিন সেনারবাহিনীর ঘাঁটি। এইসব আমেরিকান সেনাঘাঁটিকে লক্ষ্য করেই আক্রমণ করতে পারে ইরান। তার প্রভাব সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের জীবনে যাতে না পরে, তার জন্যই উল্লিখিত তিনটি বন্দর সংলগ্ন বসতি থেকে মানুষকে সরে যাওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। 

ইরানের ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের তরফে জানানো হয়েছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনীর তরফে যেসব বন্দর ব্যবহার করা হয়, আগামীতে সেগুলিতেই হামলা চালানো হতে পারে। ওইসব এলাকাই ইরানের সম্ভাব্য টার্গেট। এর পাশাপাশি ইসলামিক রেভোলিউশনারি গার্ড কর্পসের তরফে এও বলা হয়েছে যে, হরমুজ প্রণালীতে যেসব জাহাজ চলাচলের চেষ্টা করছে, সেগুলিকেও আক্রমণ করা হতে পারে। ইরানের খার্গ দ্বীপের তেলের ভাণ্ডারে হামলা চালানোর পর আমেরিকার তরফে দাবি করা হয়েছে, ৯০টিরও বেশি ইরানীয় সেনাঘাঁটিকে সফলভাবে টার্গেট করেছে তারা। এই হামলায় ইরানের নৌবাহিনীর মাইন সংরক্ষণের ব্যবস্থা, মিসাইল সংরক্ষণের বাঙ্কার, সেনাবাহিনীর অন্যান্য পরিকাঠামো ধ্বংস করা হয়েছে। একটি ভিডিও শেয়ার করা হয়েছে ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ডের তরফে। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এই খার্গের মাধ্যমেই অপরিশোধিত তেল চিনে পাঠায় ইরান। 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks