পশ্চিম এশিয়ায় উত্তেজনা তুঙ্গে। যুদ্ধ থামার কোনও লক্ষণই দেখা যাচ্ছে না। আর এই সবের মধ্যেই একটা পোস্ট করে বসলেন আমেরিকান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলছেন আমেরিকার বেশিরভাগ মিত্র দেশ, যারা ন্যাটোর সদস্য, তাদের বেশিরভাগই এই মুহূর্তে ইরানের বিরুদ্ধে এই সামরিক অভিযানে জড়াতে চাইছে না। ট্রুথ সোশ্যাল নামের সামাজিক মাধ্যম অ্যাকাউন্টে এই লিখে পোস্ট করেছেন ট্রাম্প।
US President Donald Trump posts on Truth Social -“The United States has been informed by most of our NATO “Allies” that they don’t want to get involved with our Military Operation against the Terrorist Regime of Iran, in the Middle East, this, despite the fact that almost every Country strongly agreed with what we are doing, and that Iran cannot, in any way, shape, or form, be allowed to have a Nuclear Weapon. I am not surprised by their action, however, because I always considered NATO, where we spend Hundreds of Billions of Dollars per year protecting these same Countries, to be a one-way street — We will protect them, but they will do nothing for us, in particular, in a time of need… pic.twitter.com/6Yt3gqzHaR
— ANI (@ANI) March 17, 2026
যদিও ট্রাম্প এই কথাও লিখেছেন যে, ন্যাটোর অন্যান্য সদস্য দেশের সাহায্যের প্রয়োজন বা সাহায্য পাওয়ার আকাঙক্ষা, কোনওটাই এই মুহূর্তে আমেরিকার প্রয়োজন নেই। তিনি লিখেছেন, “আমেরিকার বেশিরভাগ ন্যাটো সদস্য বন্ধু রাষ্ট্র জানিয়েছে তারা মধ্যপ্রাচ্যে ইরানের সরকারের বিরুদ্ধে কোনও সামরিক অভিযানে জড়াতে চায় না। যদিও ইরানের সঙ্গে আমরা যা করেছি তার সঙ্গে প্রায় প্রতিটি দেশ একমত। তারা এই বিষয়েও একমত যে কোনও ভাবেই, কোনও অবস্থাতেই ইরানের মত দেশকে পারমাণবিক অস্ত্রের অধিকারী হতে দেওয়া যায় না। তবে তাদের এই পদক্ষেপে আমি অবাক হইনি। এই দেশগুলোকে রক্ষা করতে আমরা বছরে কোটি কোটি ডলার খরচ করি। আমরা তাদের রক্ষা করব কিন্তু তারা আমাদের জন্য কিছুই করবে না, বিশেষত প্রয়োজনের সময়ে।
আমাদের সৌভাগ্য আমরা ইরানের সামরিক বাহিনীকে ধ্বংস করে দিয়েছি। তাদের নৌবাহিনী শেষ। তাদের বায়ু সেনাও শেষ। এ ছাড়াও তাদের এয়ার ডিফেন্স সিস্টেমও ধ্বংস করে দিয়েছি। শেষ করে দেওয়া হয়েছে রাডারও। আরও বড় কথা হল, কার্যত প্রতিটি ক্ষেত্রে ইরানের নেতারাও শেষ। ফলে, তারা আর আমাদের মধ্যপ্রাচ্যের বন্ধুদের বা বিশ্বকে কখনও হুমকি দিতে পারবে না।
যেহেতু আমরা বিশাল সমরিউক সাফল্য অর্জন করেছি, তাই ন্যাটোর অন্যান্য সদস্য দেশের সাহায্যের প্রয়োজন বা সাহায্য পাওয়ার আকাঙক্ষা, কোনওটাই এই মুহূর্তে আমেরিকার প্রয়োজন নেই। এমনকি জাপান, অস্ট্রেলিয়া বা দক্ষিণ কোরিয়ারও নেই। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হিসাবে আমি বলছি, আমাদের কারও সাহায্যের প্রয়োজন নেই।”
