March 23, 2026
602e19ce9fab978c43c841a0ac73cbd21774249165134170_original.jpg
Spread the love


গুয়াহাটি : পাকিস্তানের হয়ে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ। অসমের চাবুয়া এয়ার ফোর্স স্টেশনের এক কর্মীকে গ্রেফতার করল পুলিশ। ওই ব্যক্তি পাকিস্তানের হ্যান্ডলারদের হাতে সংবেদনশীল তথ্য তুলে দিচ্ছিলেন বলে জানিয়েছে রাজস্থান পুলিশ। রাজস্থানের গোয়েন্দা বিভাগ এবং বায়ুসেনা গোয়েন্দা বিভাগের যৌথ অভিযানে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এডিজিপি (গোয়েন্দা) প্রফুল্ল কুমারকে উদ্ধৃত করে এই খবর জানিয়েছে সংবাদ সংস্থা পিটিআই। ধৃত কর্মীর নাম সুমিত কুমার। তার বয়স ৩৬ বছর।

এর আগে অপর এক সন্দেহভাজন জাবরারামকে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে জয়সলমের থেকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। জানুয়ারিতে তার গ্রেফতারির পর আরও তদন্ত ও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। সেখান থেকে সুমিত কুমারের গুপ্তচরবৃত্তির সঙ্গে জড়িত থাকার বিষয়টি উঠে আসে। উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা সুমত। চাবুয়া এয়ার ফোর্স স্টেশনের মাল্টি-টাস্কিং স্টাফ হিসাবে কর্মরত তিনি। নিজের ক্ষমতা প্রয়োগ করে এয়ার ফোর্স স্টেশনের তথ্য জোগাড় করেছিলেন সুমিত। এরপর সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে তা পাকিস্তানি হ্যান্ডলারদের কাছে পৌঁছে দিতেন বলে অভিযোগ। তদন্ত চলাকালীনও পাকিস্তানের এজেন্টদের সঙ্গে ক্রমাগত যোগাযোগ রেখে চলেছিলেন তিনি। জিজ্ঞাসাবাদে অভিযুক্ত সুমিত জানিয়েছেন, পাকিস্তান ইন্টেলিজেন্সের সঙ্গে তিনি ২০২৩ সাল থেকেই যোগাযোগ রেখে চলছিলেন এবং সংবেদনশীল তথ্যের বিনিমেয় টাকা নিচ্ছিলেন।

এদিকে ভারতীয় সেনার (Indian Army) ওপর ফের সন্ত্রাসবাদী হামলার ছক কষছে পাকিস্তান ! মোদি সরকারের অস্বস্তি বাড়াতে ‘ঘরেই’ নিয়োগ করা হয়েছে ‘হ্যান্ডলার’। পাকিস্তানের গোয়েন্দা নেটওয়ার্কের বড় পর্দা ফাঁস করল ভারত। পাকিস্তানের গোয়েন্দা সংস্থা ISI-এর সঙ্গে যুক্ত বড় স্পাই নেটওয়ার্কের হদিশ পাওয়া গেছে উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদে। এই ঘটনায় এক মহিলা ও নাবালকসহ নতুন করে ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই নিয়ে সেনার ওপর সরাসরি নজরদারির অভিযোগে মোট গ্রেফতারির সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৪।

কীভাবে এই গোয়েন্দা চক্র কাজ করত ? তদন্তকারী সংস্থার সূত্র বলছে, এই স্পাই চক্রের মূল পান্ডা ছিল নওশাদ আলি। নওশাদ পরিকল্পিতভাবে মোবাইল রিপেয়ারিং, কম্পিউটার ও সিসিটিভি (CCTV) কাজে দক্ষ যুবকদের নিয়োগ করত। মূলত গরিব পরিবারের সন্তানদের টাকার প্রলোভন দেখিয়ে এই পথে আনা হতো। মূলত, সোশ্যাল মিডিয়ায় অপরাধপ্রবণ তরুণদের টার্গেট করত নওশাদ। তবে এই তরুণদের অতীতের পুলিশ রেকর্ড থাকলে তাদের বাদ দেওয়া হত। পুলিশ জানিয়েছে, জনগণের সন্দেহ এড়াতে এই চক্রে সচেতনভাবে মহিলাদের যুক্ত করা হত। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks