March 23, 2026
b65a64fb8abbce10301356fd7e542e7817742547703301373_original.jpg
Spread the love


পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ শুরু হওয়ায় ক্রমশ চাপ বাড়ছে ভারতের মতো তেল ও গ্যাস আমদানিকারক দেশগুলোর উপর। কারণ, ভারতের প্রতি দিন গড়ে এলপিজি লাগে ৯৩ হাজার ৫০০ টন। এর মধ্যে বাড়ি বাড়ি সরবরাহ করা হয় প্রায় ৮০ হাজার ৪০০ টন। এর মধ্যে ৬০ শতাংশ গ্যাসই আমদানি করে আমাদের দেশ। আর মোট আমদানির প্রায় ৯০ শতাংশ গ্যাস ভারত এতদিন আমদানি করত মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশ থেকে। সেই গ্যাস হরমুজ হয়ে পৌঁছে যেত ভারতে।

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা ও ইরানের হরমুজ প্রণালী ব্লক করে দেওয়ার ফলে ভারতের এলপিজি আমদানিতে টান পড়ে। এর ফলে, সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছিল দেশের বাড়িতে বাড়িতে যে ভাবে গ্যাস সিলিন্ডার পৌঁছায়, তাতে কোনও বদল আসবে না। বরং বাণিজ্যিক গ্যাস সরবরাহের ক্ষেত্রে একাধিক বিধিনিষেধ কার্যকর করা হয়েছিল।

গত সপ্তাহে দুটি জাহাজে করে ৯২ হাজার ৭০০ টন গ্যাস নিয়ে আশা হয়েছিল ভারতে। অর্থাৎ, ১ দিনে যে পরিমাণ গ্যাস প্রয়োজন, সেই পরিমাণ গ্যাস এসেছিল। যে কারণে দেশের পেট্রোলিয়াম মন্ত্রকের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক গ্যাস সরবরাহ নিয়ে শঙ্কাও প্রকাশ করেছেন। আর এই সবের কারণে, দেশে গ্যাসের মজুড়ের পরিমাণ কমছে হু হু করে।

সর্বভারতীয় এক সংবাদ মাধ্যম সূত্রের খবর, দাবি করা হচ্ছে যে দেশের গ্যাস সরবরাহকারী সংস্থাগুলো এবার বাড়ির এলপিজি সিলিন্ডারে গ্যাসের পরিমাণ কমিয়ে দেওয়ার কথা ভাবছে। অর্থাৎ, ১৪.২ কেজির সিলিন্ডারে আগামীতে নাকি আসতে চলেছে ১০ কেজি করে গ্যাস। এর উদ্দেশ্য হল দেশের সব পরিবারের কাছে কিছুটা করে হলেও গ্যাস সরবরাহ করা।

ভারতে ৩ বা ৪ জনের একটি পরিবারে ১৪.২ কেজি গ্যাস চলে ৩৫ থেকে ৪০ দিনের মতো। আর ১০ কেজি গ্যাস দেওয়া হলেও সেই সিলিন্ডার ২৫ থেকে ৩০ দিন চলে যাওয়া উচিত বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। এই ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে যুক্ত থাক অধিকারিকরা বলছেন, এই পরিকল্পনা যদি বাস্তবায়িত হয় তাহলে সিলিন্ডারে যে কম গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে, তা বোঝাতে একটা বিশেষ স্টিকারও মারা হতে পারে। এমনকি সিলিন্ডারের দামও কমবে গ্যাসের পরিমাণের সমানুপাতে।

তবে এই ক্ষেত্রে সমস্যাও সৃষ্টি হতে পারে। মানুষের এই সম্পূর্ণ বিষয়টা বুঝতে অসুবিধা হতে পারে। এর ফলে, মানুষ বিক্ষোভে সামিল হতে পারে। এ ছাড়াও দেশের একাধিক রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন আসন্ন। আর সেই কারণে, এই বিক্ষোভ বা প্রতিবাদের কারণে আরও চাপে পড়তে পারে দেশের সরকার। তবে, আসল ব্যাপার হল এই যে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে দেশে এলপিজির পরিস্থিতি ক্রমশই খারাপ হচ্ছে।



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks