একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, যতটা আশা করা হয়েছিল, ইরানকে ধ্বংস করার দিকে তার থেকে অনেক বেশি এগিয়ে গিয়েছে আমেরিকা। তিনি আরও যোগ করেন আমেরিকার আক্রমণের ফলে অনেকটাই দুর্বল হয়ে গিয়েছে ইরান।
ট্রাম্প বলেন, আমেরিকার আক্রমণে শেষ হয়ে গিয়েছে ইরানের নৌবাহিনী। এ ছাড়াও বিমান বাহিনীকেও নাকি শেষ করে দিয়েছে আমেরিকা। “তাদের নৌবাহিনী সমুদ্রের নীচে ডুবে গিয়েছে সম্পূর্ণ ভাবে ও অ্যান্টি এয়ারক্র্যাফট এবং যোগাযোগের যে ব্যবস্থা, দুইই ভেঙে দেওয়া হয়েছে”, জানান আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। আরও এক ধাপ এগিয়ে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লা মোজতবা খামেনেইকে নিয়েও মন্তব্য করেন। ট্রাম্পের কথায় খামেনেই হয় মারা গিয়েছেন, তাহলে প্রচণ্ড ভাবে আহত হয়েছেন।
🚨 LMFAO! The whole room just ERUPTED in laughter
PRESIDENT TRUMP: “Their Supreme Leader is no longer Supreme.”
“Anti-aircraft and communications capabilities are totally dismantled and dead. And their leaders are all dead. Other than that, I think they’re doing QUITE WELL!” 🤣
“No, their leaders are dead. Their supreme leader is no longer supreme. He’s dead. The son is either dead or in very bad shape because nobody’s heard from him. I think he says, just keep me out of this!”… pic.twitter.com/990eXX0jP5
— Eric Daugherty (@EricLDaugh) March 27, 2026
এ ছাড়াও তাঁর আরও দাবি বর্তমানে ইরানে শীর্ষ স্তরের কোনও নেতাই আর বেঁচে নেই। “ইরানের নেতারা মারা গিয়েছে। তাদের সর্বোচ্চ নেতাও মারা গিয়েছেন। তাঁর ছেলে হয় মারা গিয়েছে নাহলে খুবই খারাপ অবস্থায় রয়েছেন। কারণ তাঁর কোনও খোঁজ এখনও মেলেনি”, দাবি করছেন ট্রাম্প।
এই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প বলেন, “ইরানের অস্ত্র ভাণ্ডার আমরা গুঁড়িয়ে দিচ্ছি। তাদের মিসাইল ও ড্রোনের কারখানাও আমরা ধ্বংস করে দিয়েছি। এ ছাড়াও ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্পের কারখানাগুলোকেও ধ্বংস করে দিয়েছি আমরা।”
ইরানের সঙ্গে আমেরিকার যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লা আলি খামেনেই নিহত হন। তারপর ইরান ঘোষণা করে তাঁর পুত্র মোজতবা খামেনেইকেই আলি খামেনেইয়ের উত্তরসূরী হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে। তবে, এটাও ঠিক ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসাবে নাম ঘোষণা হওয়ার পরও মোজতবা খামেনেইকে জনসমক্ষে দেখা যায়নি।
