March 31, 2026
b8f00f66e70ed477e7a0be3ba69ce1731774955483348394_original.jpg
Spread the love


Strait of Hormuz Crisis affect on India : জ্বালানি সঙ্কটে জেরবার অবস্থার পাশাপাশি ধ্বংস হয়ে যাবে ভারতের ইন্টারনেট্ ব্যবস্থা ! আমেরিকা-ইজরায়েল হরমুজ প্রণালীতে হামলা করলে আদতে ক্ষতি হবে ভারতের। তাই ইরান যুদ্ধে যেকোনও প্রকারে শান্তি প্রক্রিয়া চাইছে ভারত। এর পিছনে রয়েছে হরমুজের তলদেশে থাকা কিছু বিষয়। জেনে নিন, কেন ইন্টারনেট ব্যবস্থা ধ্বংস হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে বিশ্বের।

কেন হরমুজ নিয়ে চিন্তা করছে বিশ্ব
সাধারণত হরমুজ প্রণালীতে কিছু হলে জ্বালানি সঙ্কটের কথা ভাবে বিশ্ব। কারণ এই ছোট প্রণালী দিয়েই বিশ্বের মোট তেলের পঞ্চমাংশ জাহাজের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশে যায়। পাশাপাশি বিশ্বের LNG সরবরাহের একটা বড় পথ এই প্রণালী। সেই কারণে ইরান হরমুজ আটকে দেওয়ায় বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সঙ্কটের হাহাকার দেখা দিয়েছে। তবে একটা বিষয়ে সবাই উপেক্ষা করে চলছে।

হরমুজ প্রণালীর তলদেশে লুকিয়ে আসল রহস্য
তবে জ্বালানি পারাপারের পাশাপাশি এই প্রণালীর তলদেশে রয়েছে বিশ্ব ইন্টারনেট ব্যবস্থার চাবিকাঠি। এখানেই রয়েছে ইন্টারনেট সাবমেরিন কেবল, যার মধ্য়ে থাকেক বিশ্বের বিপুল পরিমাণ ডেটার ভাণ্ডার। কোনও কারণে এই এলাকায় উত্তেজনা বৃদ্ধি পেলে সমস্যা তৈরি হবে বিশ্বের ইন্টারনেট ব্যবস্থায়। একবার কিছু হলে এই ব্যবস্থা বিপর্যস্ত হতে পারে। যা পুরোপুরি থমকে দিতে পারে বিশ্ব ইন্টারনেট পরিষেবা। যা তেলের দাম বৃদ্ধির থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

স্য়াটেলাইটের থেকেও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ ইন্টারনেটের এই কেবল
অনেকেরই ধারণা সারা বিশ্বের ইন্টারনেট পরিষেবা স্যাটেলাইট বা উপগ্রহের ওপর ভিত্তি করে চলে। যদিও বিশ্বের ৯৫-৯৭ শতাংশ ডেটা হরমুজ প্রণালীর তলদেশে থাকা কেবলের ওপর নির্ভরশীল। যার মাধ্যমে আমরা নিত্যদিনের হোয়াটসঅ্যাপ মেসেজ, নেটফ্লিক্স, ব্যাঙ্কের কাজ ছাড়াও সেনার যোগাযোগের বেশিরভাগ কাজ করে থাকি। এ সবই সমুদ্রের তলদেশে থাকা ফাইবার অপটিক কেবলের মাধ্যমে হয়ে থাকে। 

কোন তারে জুড়ে রয়েছে ভারত-ইউরোপ
হরমুজের তলদেশে থাকা ফাইবার অপটিক কেবলের মধ্যেই রয়েছে ভারতের বিপুল ডেটার ভাণ্ডার। যা ভারত থেকে ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া ও বিশ্বের অন্য়ান্য জায়াগায় যোগাযোগ রক্ষা করে। যে কারণে একে সারা বিশ্বের ডিজিটাল অর্থনীতির মেরুদণ্ড বলা হয়। মনে রাখতে হবে, ইন্টারনেট পরিষেবায় স্যাটেলাইট বিশ্ব ডেটার সামান্য কিছু অংশ ধরে রাখে। যে কারণে হরমুজকে এনার্জি চেকপয়েন্টের চেয়ে ডিজিটাল চেক পয়েন্ট হিসাবে দেখছে বিশ্ব।

কেন ভারতের কাছে হরমুজ বেশি চিন্তার কারণ
বর্তমানে ভারত বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনীতি। ডিজিটাল ইন্ডিয়ায় দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে জুড়তে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ ব্যবহার করি আমরা। কোনও কারণে আরব সাগরে উত্তেজনা তৈরি হলে ভারতের চিন্তা বাড়বে। কারণ এর তলা দিয়েই গেছে সব ফাইবার অপটিকের কেবল। তাই হরমুজে নতুন করে সমস্য়া চাইছে না নয়াদিল্লি। 

হরমুজে কিছু হলে ভিডিয়োতে কী সমস্যা হবে
কোনও কারণে এই কেবলগুলি কাটা পড়লে বিপর্যস্ত হবে ভারতের ইন্টারনেট পরিষেবা। সেই সময় আপনি স্লো-মোশনে ভিডিয়ো দেখতে পারবেন । বার বার ভিডিয়োর মধ্য়ে দাগ চলে আসবে। বাফার করার পাশাপাশি ভিডিয়ো কল করতে গেলেও সমস্য়া হবে। গুগল ক্লাউডে আংশিক সমস্য়া তৈরি করবে হরমুজের এই পরিস্থিতি। তবে টেক এক্সপার্টরা বলছেন, এরফলে পুরোপুরি ব্ল্যাকআউট সম্ভব নয়। হরমুজের তলদেশে কিছু হলে অন্য রাস্তা দিয়ে পাঠানো হবে ইন্টারনেট ট্রাফিক। সেই ক্ষেত্রে বিকল্প কেবল ও স্য়াটেলাইটের মাধ্যমে এই ইন্টারনেট ট্রাফিক পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে। 
    

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks