Iran US War: ডোনাল্ড ট্রাম্প হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন যে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাদের সঙ্গে ইরান চুক্তি না করে, কিংবা হরমুজ প্রণালী যদি খুলে না দেয়, তাহলে নরক দর্শন করতে হবে তাদের। মার্কিন প্রেসিডেন্টের এই হুমকিকে কার্যত ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়েছে ইরান। উল্টে ইরান পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছে, নরকের দরজা ট্রাম্পের জন্যই খোলা হবে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই হুঁশিয়ারিকে ইরানের তরফে ‘অসহায়, নার্ভাস, ভারসাম্যহীন, নির্বোধের মতো কাজ’ বলে অ্যাখ্যা দেওয়া হয়েছে।
ইরানের তরফে এই কড়া জবাব দিয়েছেন আলি আবদোল্লাহি আলিয়াবাদি। Khatam al-Anbiya- এর সদর দফতরের প্রতিনিধি এই ব্যক্তি। ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় ইরানকে নরক যন্ত্রণা ভোগ করানোর কথা লেখানোর পরই সরব হয়েছেন আলি আবদোল্লাহি আলিয়াবাদি। সাবধানবাণী স্বরূপ আলি জানিয়েছেন, ইরানের কোনও পরিকাঠামোর উপর যদি ইজরায়েল কিংবা ইরানের কেউ আক্রমণ করে, তাহলে ভয়ঙ্কর এবং লাগাতার ফলাফল পাওয়ার জন্য তারা যেন তৈরি থাকে। পশ্চিম এশিয়ায় থাকা সমস্ত মার্কিন সেনাঘাঁটি এবং ইজরায়েলি পরিকাঠামোর উপর আঘাত হানা হবে। আলি আরও দাবি করেছেন যে, ইরানের সশস্ত্র বাহিনী আক্রমণ প্রতিহত করার আগে এক মুহূর্তের জন্যেও ভাবনাচিন্তা করবে না। ইরানের অধিকার এবং জাতীয় সম্পত্তি রক্ষা করার জন্য যথেষ্ট শক্তিশালী ভাবেই মোকাবিলা করা হবে।
ইরানের নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়ের দেখভাল করা এক আধিকারিক এও জানিয়েছেন যে, যুদ্ধের ব্যপারে পরিকল্পনা মাফিকই এগোচ্ছে তেহরান। নির্দিষ্ট টার্গেটও রয়েছে ইরানের। এখানেই শেষ নয়। ইজরায়েল এবং মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবার বড় সারপ্রাইজ পাবে বলেও দাবি করেছেন ওই আধিকারিক। ট্রাম্পের হুঁশিয়ারিকে ইরান অত্যন্ত হাস্যকর বলে দাবি করেছে। এর পাশাপাশি আমেরিকার নিশানাও যে ভুল, সেকথাও জানিয়েছে ইরান। সম্প্রতি ইরান দাবি করেছে তারা আমেরিকার যুদ্ধবিমান গুলি করে নামিয়েছে। আর সেই প্রসঙ্গেও আমেরিকার দুর্বলতা নিয়েই কথা বলেছে ইরান। তাদের দাবি, মার্কিন সেনা অভিযান ব্যর্থ হয়েছে। এর পাশাপাশি ইরানের তরফে এও বলা হয়েছে যে, শত্রুপক্ষকে দুরমুশ করতে যথেষ্ট ভালভাবেই পোক্ত তারা। আমেরিকা নিজেদের কৌশলের কারণেই ব্যর্থ হয়েছে।
