May 30, 2026
8787d9f88cc605355b6fcdf7c9acbf401775584999417338_original.jpg
Spread the love


নয়াদিল্লি: একরাতে গোটা ইরান ধ্বংসের হুমকি দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। তাহলে কি ইরানে পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ করার পথে আমেরিকা? ট্রাম্পের দেওয়া ডেডলাইন যত শেষ হওয়ার দিকে এগোচ্ছে, উদ্বেগ তত বাড়ছে। সেই নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাল হোয়াইট হাউস। (US-Iran Nuclear Weapon)

যুদ্ধের কী পরিস্থিতি এই মুহূর্তে?

মঙ্গলবার ইরানের খার্গ দ্বীপে হামলা চালিয়েছে আমেরিকা। ইজ়রায়েল জানিয়েছে কোমে রেললাইনে আঘাত হেনেছে তারা, যা তেহরানকে সংযুক্ত করেছিল। সেই আবহেই ইরানের ‘গোটা সভ্যতা’ শেষ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প। মঙ্গলবার রাতের মধ্যেই ভয়ঙ্কর কিছু ঘটবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি। আর তাতেই পরমাণু অস্ত্রপ্রয়োগের সম্ভাবনা গাঢ় হচ্ছে। (US-Iran War)

পরমাণু অস্ত্র নিয়ে জল্পনা কেন?

সেই জল্পনা আরও বাড়িয়ে দেন আমেরিকার ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স। ট্রাম্পের হুমকির পর পরই তিনি জানান, ইরানের বিরুদ্ধে এমন অস্ত্র ব্যবহার করবে আমেরিকা, যা আগে কখনও প্রয়োগ করা হয়নি। ইরানের ভেবেচিন্তে এগনো উচিত বলেও মন্তব্য করেন ভ্যান্স। তাঁর ওই মন্তব্য ঘিরে পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ নিয়ে জল্পনা শুরু হয় সর্বত্রই। 

সেই আবহে হোয়াইট হাউসের তরফে বিবৃতি দেওয়া হয়। তারা জানায়, এমন কোনও ইঙ্গিতই দেননি ভ্যান্স। কিছু লোক ‘ভাঁড়ামো’ করে এসব ছড়াচ্ছে। কিন্তু তার পরও অনেকেই সংশয়ী। 

চাইলেই পরমাণু অস্ত্র প্রয়োগ করতে পারেন কি ট্রাম্প?

আমেরিকার শাসন ব্যবস্থায় পরমাণু হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন একমাত্র প্রেসিডেন্টই।  সেক্ষেত্রে ন্যাশনাল মিলিটারি কম্যান্ড সেন্টারের সঙ্গে কথা বলতে হবে তাঁকে। শীর্ষ সেনা আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করতে হবে। সবুজ সঙ্কেত পেলে একজন সেনা আধিকারিক ব্রিফকেস নিয়ে হাজির হবেন, যার মধ্যে ‘নিউক্লিয়ার ফুটবল’ রাখা থাকে, যার মধ্যে হামলা চালানোর বোতাম থাকে। এর পর নির্দিষ্ট কোড দিতে হয়, যার দ্বারা প্রেসিডেন্টের পরিচয় এবং কর্তৃত্ব যাচাই করা হয়। তবে শীর্ষ কম্যান্ড থেকে আপত্তি উঠলে, প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্ত বেআইনি বলা হলে বা আধিকারিকরা পিছু হঠলে, সেক্ষেত্রে হামলা থেকে বিরত থাকতে হয়।

তবে ট্রাম্প অতদূর এগোবেন কি, তা নিয়ে সংশয়ী কূটনীতিকরা। তাঁদের মতে, লাগাতার হুমকি-হুঁশিয়ারি দিলেও, সমঝোতার রাস্তা এখনও পর্যন্ত খোলাই রেখেছেন ট্রাম্প। রাষ্ট্রপুঞ্জের তরফেও নতুন করে আক্রমণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। তবে উত্তাপ বেড়েই চলেছে। ইরান জানিয়েছে, কোনও ভাবেই মাথা নত করবে না তারা। বরং পুনরায় আক্রমণ না করার, ক্ষতিপূরণ বুঝিয়ে দেওয়ার শর্ত মেনেই সমঝোতায় আসতে হবে আমেরিকাকে।

 





Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks