April 8, 2026
1b46ea590873ec1e2b1326225fa49112177563457367650_original.jpg
Spread the love


সন্দীপ সরকার, কলকাতা: ঘরোয়া ক্রিকেটে দিনের পর দিন পারফর্ম করেও জাতীয় দলে উপেক্ষিত তিনি। বলা হয়েছে, তিনি ফিট নন। যা শুনে মেজাজ ঠিক রাখতে পারেননি মহম্মদ শামি। রঞ্জি ট্রফিতে খেলার ফাঁকে সাফ জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি ফিট কি না, সেটা জানানো তাঁর দায়িত্ব নয়। সেই খোঁজ রাখা জাতীয় দলের নির্বাচকদের দায়িত্ব। তারপর থেকে ভারতের সিনিয়র দলের নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকরের সঙ্গে শামির মন কষাকষি প্রকাশ্যে।

আইপিএলেও দুরন্ত ছন্দে বাংলার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে খেলা ফাস্টবোলার। লখনউ সুপার জায়ান্টসের জার্সিতে ফুল ফোটাচ্ছেন। সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে আগের ম্যাচে মাত্র ৯ রানে ২ উইকেট নিয়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছেন শামি। তাঁর বলের গতি, স্যুইংয়ের বিষ সামলাতে নাজেহাল ব্যাটাররা। বলাবলি হচ্ছে, টি-২০ ক্রিকেটে এত দাপট এর আগে কোন বোলারের দেখা গিয়েছে?

শামি অবশ্য নির্লিপ্ত। সাফ বলে দিচ্ছেন, ‘কষ্ট করলে, পরিশ্রম করে গেলে, পুরস্কার পাবেই।’ বৃহস্পতিবার ইডেন গার্ডেন্সে কলকাতা নাইট রাইডার্সের বিরুদ্ধে লখনউ সুপার জায়ান্টসের ম্যাচ। সেই ম্যাচ খেলতে শামি এখন কলকাতায়। মঙ্গলবার বেঙ্গল প্রো টি-২০ লিগের তৃতীয় সংস্করণের ঘোষণা হল বাইপাসের ধারে এক হোটেলে। সেখানে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়, অজিঙ্ক রাহানে, রিঙ্কু সিংহ, ঝুলন গোস্বামীদের সঙ্গে ছিলেন শামিও। নিজের সাফল্যের জন্য যিনি ঘরোয়া ক্রিকেটকে কৃতিত্ব দিচ্ছেন। বলছেন, ‘সাফল্যের খিদে থাকতে হবে। আমি ঘরোয়া ক্রিকেটকে অসম্ভব প্রাধান্য দিই। ওখান থেকেই তো আমার উত্থান। যতদিন সাফল্যের খিদে থাকবে, রঞ্জি ট্রফি খেলে যাব। বাংলার হয়ে খেলে যাব।’

এই অনুষ্ঠান থেকেই শামিকে জাতীয় দলে ফেরানোর দাবি তুলেছেন সৌরভ। নির্বাচকদের উদ্দেশে সৌরভের প্রশ্ন, ‘শামিকে জাতীয় দলে নিচ্ছেন না কেন?’ যদিও শামি সরাসরি বিতর্কে ঢুকছেন না। তবে মঞ্চ থেকে এমন এক মন্তব্য করলেন, যা নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছে। বলাবলি হচ্ছে, তিনি কি নির্বাচক প্রধান অজিত আগরকরকে বিঁধলেন?

শামি বলেছেন, ‘আমি শ্রমিক মানুষ। বল করতে হয়। সেটাই করে যাব।’ চর্চা চলছে, আগরকরকে যেন শামি বুঝিয়ে দিলেন, যতই উপেক্ষা করো, জাতীয় দলের দরজায় কড়া নেড়ে যাবই।

কেকেআরের বিরুদ্ধে প্রিয় ইডেনে ম্যাচ। শামি বলছেন, ‘লম্বা সময় ইডেনে খেলার সুযোগ তো পাইনি। তবে এই মাঠে কাদের বিরুদ্ধে কীভাবে খেলতে হয় সেটা জানি। স্থানীয় ক্রিকেটার হওয়ার কিছু সুবিধা তো পাবই। তবে কেকেআর এখন আমার চেয়েও বেশি সময় কাটাচ্ছে ইডেনে। মাঠ, পরিবেশ-পরিস্থিতি নিয়ে ওরাও ওয়াকিবহাল।’



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks