April 17, 2026
9efb781b94cb30c0d01481fc44e1886c1776238555998338_original.jpg
Spread the love


ইসলামাবাদ: সামরিক চুক্তি আগেই হয়েছিল। এবার দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও মজবুত হল।  সৌদি আরবের কাছ থেকে ৩ বিলিয়ন ডলার অর্থসাহায্য় পাচ্ছে পাকিস্তান, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২৮ হাজার কোটি টাকা। পাকিস্তানের সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার যাতে তলানিতে না গিয়ে ঠেকে, সংযুক্ত আরব আমিরশাহির থেকে নেওয়া ঋণ যাতে শোধ করতে পারে, তার জন্যই সাহায্য়ের হাত বাড়িয়ে দিল সৌদি। (Saudi Arabia Loan to Pakistan)

পাকিস্তানকে অর্থসাহায্য় সৌদি আরবের

পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে এই তথ্য সামনে আনা হয়েছে। বলা হয়েছে, অতিরিক্ত অর্থসাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সৌদি। আগামী সপ্তাহেই টাকা চলে আসবে। পাশাপাশি, ৫ বিলিয়ন ডলারের আমানতের মেয়াদও বাড়িয়েছে সৌদি, যা আগের বার্ষিক রোলওভারের অন্তর্ভুক্ত হবে না। (Pakistan News)

পাকিস্তানের বিদেশমন্ত্রকের তরফে বিবৃতি দিয়ে বলা হয়, ‘সঙ্কটের মুহূর্তে এই সাহায্য় আসছে। এতে পাকিস্তানের সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ার নিরাপদ থাকবে’। সৌদি আরবের তরফে পাকিস্তানকে এই অর্থসাহায্য় প্রদানের সিদ্ধান্ত ঘিরে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। সামরিক চুক্তি ছাড়াও বিভিন্ন ক্ষেত্রে দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ছে বলে মনে করছেন কূটনীতিকরা। 

দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি

গত বছরই পাকিস্তান এবং সৌদির মধ্যে সামরিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়, যার আওতায় পরস্পরকে সামরিক সাহায্য় জোগানো থেকে একে অপরের বিরুদ্ধে নেমে আসা আগ্রাসন ঠেকাতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হয় তারা। জানানো হয়, এক দেশের উপর হামলা নেমে এলে, তা অন্য দেশের উপর হামলা বলেও ধরা হবে। সেই মতো সংঘর্ষে যোগ দিতে পারে অন্য দেশটিও। 

ঋণগ্রস্ত পাকিস্তানের সহায় হল সৌদি আরব

আমেরিকা এবং ইজ়রায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধ চলাকালীনও একাধিক বার বৈঠক হয় পাকিস্তান এবং সৌদি আরবের মধ্যে। গত শুক্রবার সৌদির অর্থমন্ত্রী মহম্মদ আল-জাদান ইসলামাবাদে ছিলেন। তার ঠিক একদিন আগেই সেখানে আমেরিকা এবং ইরানের মধ্যে ‘শান্তি বৈঠক’ হয়। এমনকি ইসলামাবাদে বৈঠক চলাকালীনই কিং আব্দুলাজিজ বায়ুসেনা ঘাঁটিতে অবতরণ করে পাক বাহিনী, যাতে পাকিস্তানি যুদ্ধবিমান থেকে কার্গো বিমানও ছিল। 

এই মুহূর্তে ঋণের দায়ে জর্জরিত পাকিস্তান। চলতি মাসেই সংযুক্ত আরব আমিরশাহির কাছ থেকে নেওয়া ৩ বিলিয়ন ডলার ঋণ শোধ করতে হবে তাদের। এতে তাদের সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়াড়ে টান পড়বে বলে আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল। পাকিস্তানের সঞ্চিত বিদেশি মুদ্রার ভাঁড়ারে ১৬ বিলিয়ন ডলার রয়েছে, যা দিয়ে তিন মাস পণ্য আমদানি করা যেতে পারে। 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks