হায়দরাবাদ: আট ম্যাচে মোটে পাঁচ পয়েন্ট। পয়েন্ট টেবিলের আট নম্বরে রয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। প্লে অফে যাওয়ার আশা বাঁচিয়ে রাখতে হলে এখন সব ম্যাচই মরণ-বাঁচন ম্যাচ কেকেআরের। জিতলে, ভেসে থাকবে। হারলে, ডুবে যাওয়ার আশঙ্কা পরবল।
দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া অবস্থায় সাহসী সিদ্ধান্ত নিল কেকেআর। রবিবার নিজামের শহরে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে দলে একসঙ্গে জোড়া পরিবর্তন করেছে নাইট শিবির। রামনদীপ সিংহ ও টিম সেইফার্টকে বসিয়ে খেলানো হচ্ছে মণীশ পাণ্ডে ও ফিন অ্যালেনকে। ব্যাটিং যাতে আরও মজবুত হয়।
আর ব্যাটিং বিভাগ মেরামতির দিন বল হাতে জ্বলে উঠলেন কেকেআরের স্পিন-ত্রয়ী। সুনীল নারাইন, বরুণ চক্রবর্তী ও অনুকূল রায়। একটা সময় নারাইন ও বরুণ জুটিকে আইপিএলের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর স্পিন আক্রমণ বলা হতো। ২০২৪ সালে কেকেআরের তৃতীয় ট্রফি জয়ের মরশুমে দুই স্পিনার ভেল্কি দেখিয়েছিলেন। রবিবার পুরনো মেজাজে ফিরলেন।
দুই স্পিনারের মধ্যে সেরা বরুণ। টি-২০ বিশ্বকাপে যুগ্মভাবে সর্বোচ্চ উইকেটশিকারি ছিলেন। কিন্তু যশপ্রীত বুমরা যেমন সেমিফাইনাল, ফাইনালের মতো ম্যাচে আগুন ঝরানো স্পেল করেছিলেন, বরুণ সেখানে নক আউট পর্বে সেভাবে নজর কাড়তে পারেননি। প্রচুর রানও খরচ করেন সুপার এইট পর্ব থেকে। আইপিএলের শুরুর দিকেও ছিলেন ছন্দহীন। ধীরে ধীরে ছন্দে ফিরেছেন। রবিবার ৪ ওভারে ৩৬ রানে নিলেন ৩ উইকেট। হায়দরাবাদের ভয়ঙ্কর ট্র্যাভিষেক জুটির ট্র্যাভিস হেডকে তুলে নিলেন।
অন্যদিকে, ক্যারিবিয়ান রহস্য স্পিনার সুনীল নারাইন যেন নতুন বোতলে পুরনো মদের মতো। হায়দরাবাদের উইকেটে বল পড়ে কিছুটা থমকে আসছে। তাতেই ভয়ঙ্কর নারাইন। ৪ ওভারে ৩১ রানে নিলেন ২ উইকেট। নারাইন একটি মাইলফলক স্পর্শ করলেন। কেকেআরের প্রথম ও আইপিএলের ইতিহাসে তৃতীয় বোলার হিসাবে দুশো উইকেট নিলেন ক্যারিবিয়ান স্পিনার।
A special delivery to reach a special milestone 🤌
🎥 Sunil Narine picks his 200th #TATAIPL wicket with an unplayable delivery 🫡
Updates ▶️ https://t.co/muersQO7at#KhelBindaas | #SRHvKKR | @KKRiders pic.twitter.com/HTud7IBAq4
— IndianPremierLeague (@IPL) May 3, 2026
এক ওভার বল করে এক উইকেট নিলেন অনুকূলও। সব মিলিয়ে স্পিনাররাই তুলল ৬ উইকেট। প্রথমে ব্যাট করে ১ ওভার বাকি থাকতে ১৬৫ রানে অল আউট হয়ে গেল হায়দরাবাদ। ২৮ বলে ৬১ রান হেডের। তিনিই সর্বোচ্চ স্কোরার। ২৯ বলে ৪২ করলেন ঈশান কিষাণ। বাকি সকলেই ব্যর্থ। কেকেআরের সামনে ১৬৬ রান তাড়া করে ম্যাচ জেতার চ্যালেঞ্জ।
