চেন্নাই: গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে নিজেদের শেষ ম্য়াচেও হারতে হয়েছে চেন্নাই সুপার কিংসকে। প্লে অফের সম্ভাবনা আগেই প্রায় শেষ হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু রুতুরাজ গায়কোয়াডের নেতৃত্বাধীন দলটি শেষ ম্য়াচেও হেরে যায়। আর শেষ ম্য়াচেও লজ্জার হারের সঙ্গে সঙ্গে লজ্জার একটি রেকর্ডও গড়লেন চেন্নাই সুপার কিংসের বোলার অংশুল কম্বোজ। টেক্কা দিলেন রশিদ খানকেও।
চলতি আইপিএল মরশুমে চেন্নাই বৃহস্পতিবার তাদের শেষ ম্য়াচটি খেলতে নেমেছিল গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে। সিএসকের বোলার অংশুল কম্বোজ তার চার ওভারের স্পেলে মোট ৫৬ রান খরচ করেন। তার মধ্য়ে চারটি ছক্কাও হজম করেন তিনি। তার সঙ্গে সঙ্গেই চলতি মরশুমে মোট ৩৪টি ছক্কা হজম করেন অংশুল। যা এক আইপিএল মরশুমে কোনও বোলারের হজম করা সর্বাধিক ছক্কা। রশিদ খান ২০২৫ সালে আইপিএলে মোট ৩৩টি ছক্কা হজম করেছিলেন। তাকে টেক্কা দিয়ে এবার লজ্জার রেকর্ডের মালিক হয়ে গেলেন অংশুল কম্বোজ। ডেথ ওভারে এতটাই বাজে পারফরম্য়ান্স ছিল কম্বোজের পুরো মরশুমে, তার জন্য়ই এত ছক্কা তাঁকে হজম করতে হবে।
উল্লেখ্য, মহম্মদ সিরাজ ২০২২ সালে ৩১টি ছক্কা হজম করেছিলেন। ২০২২ সালে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা মোট ৩০টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন। কাগিসো রাবাডা ৩০টি ছক্কা হজম করেছিলেন।
উল্লেখ্য, রুতুরাজ গায়কোয়াডের সিএসকের এবারের আইপিএলে প্লে-অফে পৌঁছনোর আশা এমনিতেই কম ছিল। গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে হেরে যে অবশিষ্ট আশাটুকু ছিল, সেটাও শেষ হয়ে গিয়েছে। সমাপ্ত হয়েছে সিএসকের এবারের আইপিএল মরশুম। তাই স্বাভাবিকভাবেই অনেকের মনেই প্রশ্ন জাগছে যে এ বছর একটিও ম্যাচ না খেলা ধোনিকে কি আর কোনওদিন আইপিএলে খেলতে দেখা যাবে? গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে ম্যাচশেষে ঠিক এই প্রশ্নটাই করা হয়েছিল চেন্নাই সুপার কিংসের অধিনায়ককে। ধোনিকে নিয়ে প্রশ্নের উত্তরে রুতুরাজ গায়কোয়াড বলেন, ‘আপনারা, এমনকী আমি নিজেও এই বিষয়টা আগামী বছরেই জানতে পারব। নিঃসন্দেহেই ওঁ থাকলে শেষের ওভারগুলিতে প্রতিপক্ষদের মনে একটা ভয় কাজ করে, তাই ওঁর অনুপস্থিতিটা আমাদের জন্য খুবই কঠিন ছিল। ওঁকে আমরা খুবই মিস করেছি। কিন্তু দিনশেষে পরের মরশুমে কী হতে চলেছে সেটা তো আর আমরা কেউই জানি না।’ হাঁটুর চোট ও তা নিয়ে অস্ত্রোপচারের পর মাঠে ফিরলেও টুর্নামেন্ট শুরুর আগে ফের চোট পান, তাই গোটা টুর্নামেন্টে কোনও ম্য়াচেই মাঠে নামতে পারেননি ধোনি।
