July 25, 2026
d707e597cc46b57b2e0309aa89cbbde617849177469741393_original.jpg
Spread the love


কলকাতা :

হুঁশিয়ারি মুখ্যমন্ত্রীর

ধর্মতলার অশান্তির ঘটনায় মুখ খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। আন্দোলনকারীদের সঙ্গে নিটের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার কোনও সম্পর্ক নেই বলেই দাবি তাঁর। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়, “এদের সঙ্গে নিটের কোনও সম্পর্ক নেই। চিহ্নিত করেছি সবাইকে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বলেন না, শুক্রবার ওরা একটু করবেই। তাই তো আজ সাংবাদিকরা আক্রান্ত হয়েছেন। কয়েকদিন অপেক্ষা করুন। এদের কি করতে হয় আমরা জানি।” পাশাপাশি ধর্মতলার ওই ডোরিনা ক্রসিং দিয়ে সোমবার তেরঙা যাত্রা হবে বলেও দাবি করেন তিনি। 

ধর্মতলায় ধুন্ধুমার 

দিল্লির বিক্ষোভের আঁচ পড়েছিল শহর কলকাতায়। মিছিল করতে চেয়ে লালবাজারের কাছে অনুমতি চেয়েছিল CJP। তবে তা মেলেনি। এরপরেই শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেয় ৮টি বাম ছাত্র সংগঠন। তাদের সঙ্গেই জুড়ে যায় CJP। শুক্রবার সেই মিছিলের একেবারে অন্তিম পর্বে দেখা গেল রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। ধর্মতলার ডোরিনা ক্রসিংয়ে পুলিশ বনাম পড়ুয়া। আন্দোলনে বাধা পড়তেই বিক্ষোভকারীরা ছুড়ল জুতো, ইট, জলের বোতল। পাল্টা পরিস্থিতি সামাল দিতে কাঁদানে গ্য়াস চার্জ করল পুলিশ। নিমেষে তৈরি হল রণক্ষেত্র পরিস্থিতি। সন্ধ্যা গড়াতেই বাম ছাত্র সংগঠনগুলি ঘোষণা করল এবার ধর্মতলাতেই অবস্থান করতে চলেছে তারা। যদিও ছাত্র আন্দোলনকারীদের দাবি, আক্রমণের ঘটনার সঙ্গে তাঁদের কোনও যোগ নেই। বাইরে থেকে লোক ঢুকিয়ে শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ভাঙার চেষ্টা চলেছে। 

অনড় CJP

কেন্দ্রের সঙ্গে বৈঠকেও শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফার দাবিতে অনড় ককরোচ জনতা পার্টি। শুক্রবার দুপুর দিল্লির কনস্টিটিউশন ক্লাবে দুই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী — জেপি নাড্ডা এবং জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন সিজেপি-র দুই প্রতিনিধি সৌরভ দাস এবং আশুতোষ রাঙ্কা। ধর্মেন্দ্রের ইস্তফা ছাড়াও বৈঠকে আরও দুই দফা দাবির কথা জানান তাঁরা। প্রায় দু’ঘণ্টার বৈঠকে সিজেপি-র দাবি, ধর্মেন্দ্র প্রধানকে ইস্তফা দিতে হবে। নিট-এর প্রশ্নপত্র ফাঁস এবং পরীক্ষা বাতিলের পর আত্মহত্যা করা পড়ুয়াদের পরিবারকে আর্থিক ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। পাশাপাশি, আন্দোলনরত পড়ুয়াদের বিরুদ্ধে দায়ের করা সমস্ত মামলা ও এফআইআর প্রত্যাহার করতে হবে। যদিও এই দুই দাবি কেন্দ্র মেনে নিয়েছে বলেই জানিয়েছে সিজেপি-র প্রতিনিধিরা। সঙ্গে শনিবার বিকেল পর্যন্ত সময় চেয়েছে কেন্দ্র। শনিবার তাদের সঙ্গে কেন্দ্রের আরও একটি বৈঠক হতে পারে। ধর্মেন্দ্রকে না-সরানো হলে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার ডাকও দিয়েছে আন্দোলনকারী সংগঠন।

আন্দোলনের আঁচ কলকাতাতেও

দিল্লির বিক্ষোভের আঁচ পড়ল কলকাতাতেও। ককরোচ জনতা পার্টির সমর্থনে পথে নামল SFI, DYFI-সহ মোট ৮টি বামপন্থী ছাত্র সংগঠন। যদিও সেই কোনও মিছিলেই অনুমতি দেয়নি লালবাজার। এদিকে বাম ছাত্র সংগঠনগুলি শিয়ালদা থেকে ধর্মতলা পর্যন্ত মিছিলের ডাক দেয়। শুরু হয় জমায়েত। কিন্তু শিয়ালদা ব্রিজেই আটকে দেওয়া হয় মিছিল।

 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks