May 28, 2026
469762fb6866b9ba02b3448926f166a01767928845919170_original.jpg
Spread the love


‘আমাদের অবশ্যই গ্রিনল্যান্ড দরকার।’ দিনকয়েক আগেই স্পষ্ট ঘোষণা করেছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। গ্রিনল্যান্ড দখলের জন্য সামরিক পদক্ষেপের কথাও ভাবছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই আবহে এবার পাল্টা হুঁশিয়ারি দিল ডেনমার্ক। কেউ ডেনমার্ক আক্রমণ করতে এলে সেনা সঙ্গে সঙ্গে লড়াই শুরু করবে এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশের অপেক্ষা না করেই গুলি চালাবে। স্পষ্ট জানিয়ে দিল ডেনমার্কের প্রতিরক্ষামন্ত্রক। স্থানীয় সংবাদপত্র বার্লিংস্কের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ১৯৫২ সালের নির্দেশনা, যা ঠান্ডা যুদ্ধের সময়কার, তাতে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল যে, যদি কোনও বিদেশি বাহিনী ড্যানিশ ভূখণ্ডের জন্য হুমকির কারণ হয়, তাহলে সেনাকে আদেশের অপেক্ষা না করে আগে গুলি চালাতে হবে। প্রসঙ্গত, ১৯৪০ সালের এপ্রিলে নাৎসি জার্মানি ডেনমার্ক আক্রমণ করার সময় এই রেজ্যুলিউশন নেওয়া হয়েছিল। ইউরোপিয় দেশটিতে সেই সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা আংশিকভাবে ভেঙে পড়েছিল এবং আজও তা বহাল রয়েছে।

আমেরিকার মসনদে দ্বিতীয় বার প্রত্যাবর্তনের পর থেকেই গ্রিনল্যান্ড ‘দখলে’ হুঁশিয়ারি দিয়ে আসছিলেন। ভেনিজুয়েলা আক্রমণের পর, এবার কি সেই লক্ষ্যপূরণের পথে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প? হোয়াইট হাউসের মন্তব্যে অন্তত তেমনই ইঙ্গিত মিলছে। তারা জানিয়েছে, গ্রিনল্যান্ডের দখল পেতে সবদিক পর্যালোচনা করে দেখছেন ট্রাম্প। সামরিক পদক্ষেপ নিয়ে যেমন আলোচনা চলছে, তেমনই টাকা দিয়ে কিনে নেওয়া যায় কি না, সেই নিয়েও কথা হচ্ছে। হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, প্রেসিডেন্ট এবং তাঁর টিমের লোকজন একাধিক উপায় নিয়ে আলোচনা করছেন। সেনা নামানোর রাস্তা সবসময়ই খোলা। তবে গ্রিনল্যান্ড কিনে নেওয়ার ভাবনাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন এক আধিকারিক। গ্রিনল্যান্ডকে Compact of Free Association চুক্তিতে অঙ্গীকারবদ্ধ করে ফেলার কথাও ভাবা হচ্ছে।

ট্রাম্পের এই উদ্যোগ রুখতে একযোগে এগিয়ে এসেছেন ইউরোপের একাধিক রাষ্ট্রনেতা। ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের (ডেনমার্কের একটি স্বায়ত্তশাসিত অঞ্চল) পাশে দাঁড়িয়ে যৌথ বিবৃতি জারি করেছেন ইউরোপের প্রধান ক্ষমতাশীল দেশগুলির রাষ্ট্রনেতারা। তাঁরা স্পষ্ট ঘোষণা করেছেন, সুমেরু দ্বীপ সুমেরুবাসীর জন্য। ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট, জার্মানির চ্যান্সেলর, ইতালির প্রধানমন্ত্রী, পোল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী, স্পেনের প্রধানমন্ত্রী, ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী এবং ডেনমার্কের প্রধানমন্ত্রীর একযোগে জারি করা ওই বিবৃতিতে পরিষ্কার বলা হয়েছে, “গ্রিনল্যান্ড সেখানকার মানুষের। এটা ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ডের জন্য এবং ডেনমার্ক ও গ্রিনল্যান্ড নিয়ে সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র তারাই নিতে পারবে।” এই রাষ্ট্রনেতারা দাবি জানিয়েছেন যে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র-সহ ন্যাটো মিত্রদের সঙ্গে সম্মিলিতভাবে সুমেরু অঞ্চলের (Arctic Security) নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
 



Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Enable Notifications OK No thanks